মুখের স্বাদ পাল্টে গিয়েছে? যা-ই খান না কেন, জিভে টক, তেতো, ধাতব স্বাদ লেগেই রয়েছে। ভাবছেন, কোনও বিশেষ খাবারের স্বাদ মুখে রয়ে গিয়েছে। কিন্তু সব সময়ে খাবারের কারণে মুখের স্বাদ পাল্টে যায় না। কখনও কখনও মুখে দীর্ঘক্ষণ ধরে অস্বাভাবিক স্বাদ থাকা অন্য কোনও রোগের ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই সতর্ক থাকা উচিত সকলের।
এক-দু’বার মুখে তেতো স্বাদ পেতেই পারেন। তা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। দিনের পর দিন বা সপ্তাহের পর সপ্তাহ একই সমস্যা থাকলে বিষয়টি অবহেলা না করাই ভাল। এমন ক্ষেত্রে কারও তেতো মনে হলে, কারও টক মনে হতে পারে, কারও জিভে আবার ধাতব স্বাদ লেগে থাকতে পারে।
কী কী কারণ এর নেপথ্যে?
১. মুখে বার বার তেতো বা টক স্বাদ লেগে থাকার অন্যতম সাধারণ কারণ হল, পাকস্থলীর অ্যাসিড উপরে উঠে আসা। এই সমস্যায় পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালির দিকে উঠে আসে এবং কখনও কখনও মুখ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তখন মুখে অস্বস্তিকর টক বা তেতো স্বাদ অনুভূত হতে পারে। অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণে বুকে জ্বালা বা অস্বস্তি, ঘন ঘন ঢেকুর ওঠা, একটানা কাশি, গলা কর্কশ হয়ে যাওয়া, গলা ব্যথাও হতে পারে।
২. খাবার ঠিক মতো হজম না হওয়া, পেটের নানা ধরনের সমস্যা বা পরিপাকতন্ত্রের অন্য কোনও অসুবিধার সঙ্গে স্বাদের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এক দিকে মুখে তেতো স্বাদ, অন্য দিকে একটানা পেটের অস্বস্তি থাকলে বুঝতে হবে, হজমের সমস্যা হচ্ছে। তখন লিভার এবং গলব্লাডারের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৩. জিঙ্ক, ভিটামিন বি ১২-এর মতো পুষ্টির ঘাটতি মুখে অস্বস্তিকর স্বাদ এনে দিতে পারে। তাই পুষ্টিকর খাবার খাওয়া বা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া দরকার।
৪. শ্বাসনালির সংক্রমণ, সাইনাসের সমস্যা অথবা ভাইরাল জ্বরের সময়ে এমন স্বাদের গোলমাল হতে পারে।
মুখে খারাপ স্বাদ তৈরি হলে অনেকে দাঁত বা মাড়ির সাধারণ সমস্যা ভেবে নিয়ে বার বার মুখশুদ্ধি, চিউইংগাম বা নিজের মতো করে অ্যান্টাসিড খেতে শুরু করেন। এতে সাময়িক ভাবে অস্বস্তি কমতে পারে, কিন্তু সমস্যা শিকড় থেকে উপশম হয় না। ধরুন, মুখের তেতো স্বাদের পিছনে অ্যাসিড বা হজমের সমস্যা রয়েছে। শুধু মুখশুদ্ধি ব্যবহার করলে সেই সমস্যাটি থেকেই যাবে। কেবল আড়াল হবে সাময়িক ভাবে। আবার যদি লিভারের সমস্যা, পুষ্টির ঘাটতি বা কোনও সংক্রমণ নেপথ্য কারণ হয়, তা-ও এ ভাবে বোঝা সম্ভব নয়। ফলে কয়েক সপ্তাহ ধরে একই সমস্যা থাকলে উপসর্গ ঢেকে না রেখে কারণটি খুঁজে বার করা জরুরি।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
মুখের অস্বাভাবিক স্বাদ যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে থেকে যায়, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভাল। বিশেষ করে এর সঙ্গে যদি থাকে—
· ঘন ঘন বুক জ্বালা
· খাবার গেলায় সমস্যা
· কোনও কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
· প্রায়শই বমি ভাব
· বার বার বমি হওয়া
· একটানা পেটের অস্বস্তি
এক-দু’বার মুখে তেতো স্বাদ পেতেই পারেন। তা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। দিনের পর দিন বা সপ্তাহের পর সপ্তাহ একই সমস্যা থাকলে বিষয়টি অবহেলা না করাই ভাল। এমন ক্ষেত্রে কারও তেতো মনে হলে, কারও টক মনে হতে পারে, কারও জিভে আবার ধাতব স্বাদ লেগে থাকতে পারে।
কী কী কারণ এর নেপথ্যে?
১. মুখে বার বার তেতো বা টক স্বাদ লেগে থাকার অন্যতম সাধারণ কারণ হল, পাকস্থলীর অ্যাসিড উপরে উঠে আসা। এই সমস্যায় পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালির দিকে উঠে আসে এবং কখনও কখনও মুখ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তখন মুখে অস্বস্তিকর টক বা তেতো স্বাদ অনুভূত হতে পারে। অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণে বুকে জ্বালা বা অস্বস্তি, ঘন ঘন ঢেকুর ওঠা, একটানা কাশি, গলা কর্কশ হয়ে যাওয়া, গলা ব্যথাও হতে পারে।
২. খাবার ঠিক মতো হজম না হওয়া, পেটের নানা ধরনের সমস্যা বা পরিপাকতন্ত্রের অন্য কোনও অসুবিধার সঙ্গে স্বাদের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এক দিকে মুখে তেতো স্বাদ, অন্য দিকে একটানা পেটের অস্বস্তি থাকলে বুঝতে হবে, হজমের সমস্যা হচ্ছে। তখন লিভার এবং গলব্লাডারের সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৩. জিঙ্ক, ভিটামিন বি ১২-এর মতো পুষ্টির ঘাটতি মুখে অস্বস্তিকর স্বাদ এনে দিতে পারে। তাই পুষ্টিকর খাবার খাওয়া বা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া দরকার।
৪. শ্বাসনালির সংক্রমণ, সাইনাসের সমস্যা অথবা ভাইরাল জ্বরের সময়ে এমন স্বাদের গোলমাল হতে পারে।
মুখে খারাপ স্বাদ তৈরি হলে অনেকে দাঁত বা মাড়ির সাধারণ সমস্যা ভেবে নিয়ে বার বার মুখশুদ্ধি, চিউইংগাম বা নিজের মতো করে অ্যান্টাসিড খেতে শুরু করেন। এতে সাময়িক ভাবে অস্বস্তি কমতে পারে, কিন্তু সমস্যা শিকড় থেকে উপশম হয় না। ধরুন, মুখের তেতো স্বাদের পিছনে অ্যাসিড বা হজমের সমস্যা রয়েছে। শুধু মুখশুদ্ধি ব্যবহার করলে সেই সমস্যাটি থেকেই যাবে। কেবল আড়াল হবে সাময়িক ভাবে। আবার যদি লিভারের সমস্যা, পুষ্টির ঘাটতি বা কোনও সংক্রমণ নেপথ্য কারণ হয়, তা-ও এ ভাবে বোঝা সম্ভব নয়। ফলে কয়েক সপ্তাহ ধরে একই সমস্যা থাকলে উপসর্গ ঢেকে না রেখে কারণটি খুঁজে বার করা জরুরি।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
মুখের অস্বাভাবিক স্বাদ যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে থেকে যায়, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভাল। বিশেষ করে এর সঙ্গে যদি থাকে—
· ঘন ঘন বুক জ্বালা
· খাবার গেলায় সমস্যা
· কোনও কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
· প্রায়শই বমি ভাব
· বার বার বমি হওয়া
· একটানা পেটের অস্বস্তি