আমাদের শরীরের ভিতরের অনেক রোগের সংকেত নখের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। নখের রং, আকার বা গঠনে হঠাৎ কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তা অনেক সময়ে বড় কোনও শারীরিক অসুস্থতার আগাম বার্তা বহন করে। জেনে নিন, নখ দিয়ে কোন কোন রোগ চেনা যায়।
চামচের মতো নখ: এ ক্ষেত্রে নখের উপরিভাগ দেখলে মনে হয়, সোজা করা চামচের মতো অর্থাৎ মাঝখানটা গর্তের মতো দেখায়। চামচ-আকৃতির নখ, বা কোইলোনিকিয়া, সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত। আয়রনের ঘাটতি নখের বৃদ্ধি এবং কেরাটিন গঠনে প্রভাব ফেলার কারণে এটি হতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র এর বাহ্যিক রূপ দেখে শরীরে আয়রনের ঘাটতি নির্ণয় করা যায় না। সাধারণত ফেরিটিন এবং কমপ্লিট ব্লাড কাউন্টের মতো রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। অনেক সময়ে থাইরয়েডজনিত সমস্যার কারণেও এমনটা হতে পারে।
নখের উপর সাদাটে ছোপ: নখের উপর ছোট সাদা দাগ সাধারণত নখের গোড়ার অংশে (নেল ম্যাট্রিক্স) সামান্য আঘাতের কারণে হয়ে থাকে—যেমন কোনও কিছুর সঙ্গে ধাক্কা লাগা, ম্যানিকিউর করা বা নখ কামড়ানোর ফলে এমনটা হতে পারে। সাধারণত নখ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দাগগুলি মিলিয়ে যায়। তবে কোনও দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই যদি এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা ক্যালশিয়াম বা জিঙ্কের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।
নখে কালো দাগ: নখের উপর নতুন কোনও গাঢ় দাগ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। যদিও এ ধরনের অধিকাংশ দাগই ক্ষতিকর নয়, তবুও মাঝেমধ্যে তা নখের মেলানোমা (এক ধরনের ক্যানসার)-এর লক্ষণ হতে পারে। দাগটি চওড়া হওয়া, আশেপাশের চামড়া কালচে হয়ে যাওয়া কিংবা নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া—এসব বিষয় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
মোটা হলদে নখ: সাধারণত ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে হাত-পায়ের নখ মোটা ও হলুদ হয়ে যায়। তবে ডাসোরিয়াসিস, একজিমা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও নখের এমন অবস্থা হতে পারে। তাই কেবল বাহ্যিক রূপ দেখে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এক বার অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
নখের রং বদলে যাওয়া: নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যাচ্ছে? এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। লিম্ফিডেমা (পরজীবী সংক্রান্ত এক ধরনের জটিলতা, কয়েকটি জেনেটিক ব্যাধিতেও দেখা যায়) নামক রোগে এমনটা হয়। এ ছাড়াও ফুসফুসের নানা সমস্যাতেও পায়ের নখের রং হলদে হয়ে যেতে পারে। শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তির সমস্যা হলেও পায়ের নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়। জন্ডিস হলেও তাই। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।আমাদের শরীরের ভিতরের অনেক রোগের সংকেত নখের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। নখের রং, আকার বা গঠনে হঠাৎ কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তা অনেক সময়ে বড় কোনও শারীরিক অসুস্থতার আগাম বার্তা বহন করে। জেনে নিন, নখ দিয়ে কোন কোন রোগ চেনা যায়।
চামচের মতো নখ: এ ক্ষেত্রে নখের উপরিভাগ দেখলে মনে হয়, সোজা করা চামচের মতো অর্থাৎ মাঝখানটা গর্তের মতো দেখায়। চামচ-আকৃতির নখ, বা কোইলোনিকিয়া, সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত। আয়রনের ঘাটতি নখের বৃদ্ধি এবং কেরাটিন গঠনে প্রভাব ফেলার কারণে এটি হতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র এর বাহ্যিক রূপ দেখে শরীরে আয়রনের ঘাটতি নির্ণয় করা যায় না। সাধারণত ফেরিটিন এবং কমপ্লিট ব্লাড কাউন্টের মতো রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। অনেক সময়ে থাইরয়েডজনিত সমস্যার কারণেও এমনটা হতে পারে।
নখের উপর সাদাটে ছোপ: নখের উপর ছোট সাদা দাগ সাধারণত নখের গোড়ার অংশে (নেল ম্যাট্রিক্স) সামান্য আঘাতের কারণে হয়ে থাকে—যেমন কোনও কিছুর সঙ্গে ধাক্কা লাগা, ম্যানিকিউর করা বা নখ কামড়ানোর ফলে এমনটা হতে পারে। সাধারণত নখ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দাগগুলি মিলিয়ে যায়। তবে কোনও দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই যদি এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা ক্যালশিয়াম বা জিঙ্কের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।
নখে কালো দাগ: নখের উপর নতুন কোনও গাঢ় দাগ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। যদিও এ ধরনের অধিকাংশ দাগই ক্ষতিকর নয়, তবুও মাঝেমধ্যে তা নখের মেলানোমা (এক ধরনের ক্যানসার)-এর লক্ষণ হতে পারে। দাগটি চওড়া হওয়া, আশেপাশের চামড়া কালচে হয়ে যাওয়া কিংবা নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া—এসব বিষয় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
মোটা হলদে নখ: সাধারণত ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে হাত-পায়ের নখ মোটা ও হলুদ হয়ে যায়। তবে ডাসোরিয়াসিস, একজিমা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও নখের এমন অবস্থা হতে পারে। তাই কেবল বাহ্যিক রূপ দেখে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এক বার অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
নখের রং বদলে যাওয়া: নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যাচ্ছে? এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। লিম্ফিডেমা (পরজীবী সংক্রান্ত এক ধরনের জটিলতা, কয়েকটি জেনেটিক ব্যাধিতেও দেখা যায়) নামক রোগে এমনটা হয়। এ ছাড়াও ফুসফুসের নানা সমস্যাতেও পায়ের নখের রং হলদে হয়ে যেতে পারে। শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তির সমস্যা হলেও পায়ের নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়। জন্ডিস হলেও তাই। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
চামচের মতো নখ: এ ক্ষেত্রে নখের উপরিভাগ দেখলে মনে হয়, সোজা করা চামচের মতো অর্থাৎ মাঝখানটা গর্তের মতো দেখায়। চামচ-আকৃতির নখ, বা কোইলোনিকিয়া, সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত। আয়রনের ঘাটতি নখের বৃদ্ধি এবং কেরাটিন গঠনে প্রভাব ফেলার কারণে এটি হতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র এর বাহ্যিক রূপ দেখে শরীরে আয়রনের ঘাটতি নির্ণয় করা যায় না। সাধারণত ফেরিটিন এবং কমপ্লিট ব্লাড কাউন্টের মতো রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। অনেক সময়ে থাইরয়েডজনিত সমস্যার কারণেও এমনটা হতে পারে।
নখের উপর সাদাটে ছোপ: নখের উপর ছোট সাদা দাগ সাধারণত নখের গোড়ার অংশে (নেল ম্যাট্রিক্স) সামান্য আঘাতের কারণে হয়ে থাকে—যেমন কোনও কিছুর সঙ্গে ধাক্কা লাগা, ম্যানিকিউর করা বা নখ কামড়ানোর ফলে এমনটা হতে পারে। সাধারণত নখ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দাগগুলি মিলিয়ে যায়। তবে কোনও দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই যদি এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা ক্যালশিয়াম বা জিঙ্কের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।
নখে কালো দাগ: নখের উপর নতুন কোনও গাঢ় দাগ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। যদিও এ ধরনের অধিকাংশ দাগই ক্ষতিকর নয়, তবুও মাঝেমধ্যে তা নখের মেলানোমা (এক ধরনের ক্যানসার)-এর লক্ষণ হতে পারে। দাগটি চওড়া হওয়া, আশেপাশের চামড়া কালচে হয়ে যাওয়া কিংবা নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া—এসব বিষয় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
মোটা হলদে নখ: সাধারণত ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে হাত-পায়ের নখ মোটা ও হলুদ হয়ে যায়। তবে ডাসোরিয়াসিস, একজিমা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও নখের এমন অবস্থা হতে পারে। তাই কেবল বাহ্যিক রূপ দেখে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এক বার অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
নখের রং বদলে যাওয়া: নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যাচ্ছে? এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। লিম্ফিডেমা (পরজীবী সংক্রান্ত এক ধরনের জটিলতা, কয়েকটি জেনেটিক ব্যাধিতেও দেখা যায়) নামক রোগে এমনটা হয়। এ ছাড়াও ফুসফুসের নানা সমস্যাতেও পায়ের নখের রং হলদে হয়ে যেতে পারে। শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তির সমস্যা হলেও পায়ের নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়। জন্ডিস হলেও তাই। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।আমাদের শরীরের ভিতরের অনেক রোগের সংকেত নখের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে পারে। নখের রং, আকার বা গঠনে হঠাৎ কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তা অনেক সময়ে বড় কোনও শারীরিক অসুস্থতার আগাম বার্তা বহন করে। জেনে নিন, নখ দিয়ে কোন কোন রোগ চেনা যায়।
চামচের মতো নখ: এ ক্ষেত্রে নখের উপরিভাগ দেখলে মনে হয়, সোজা করা চামচের মতো অর্থাৎ মাঝখানটা গর্তের মতো দেখায়। চামচ-আকৃতির নখ, বা কোইলোনিকিয়া, সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী আয়রনের ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্কিত। আয়রনের ঘাটতি নখের বৃদ্ধি এবং কেরাটিন গঠনে প্রভাব ফেলার কারণে এটি হতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র এর বাহ্যিক রূপ দেখে শরীরে আয়রনের ঘাটতি নির্ণয় করা যায় না। সাধারণত ফেরিটিন এবং কমপ্লিট ব্লাড কাউন্টের মতো রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। অনেক সময়ে থাইরয়েডজনিত সমস্যার কারণেও এমনটা হতে পারে।
নখের উপর সাদাটে ছোপ: নখের উপর ছোট সাদা দাগ সাধারণত নখের গোড়ার অংশে (নেল ম্যাট্রিক্স) সামান্য আঘাতের কারণে হয়ে থাকে—যেমন কোনও কিছুর সঙ্গে ধাক্কা লাগা, ম্যানিকিউর করা বা নখ কামড়ানোর ফলে এমনটা হতে পারে। সাধারণত নখ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দাগগুলি মিলিয়ে যায়। তবে কোনও দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই যদি এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা ক্যালশিয়াম বা জিঙ্কের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।
নখে কালো দাগ: নখের উপর নতুন কোনও গাঢ় দাগ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। যদিও এ ধরনের অধিকাংশ দাগই ক্ষতিকর নয়, তবুও মাঝেমধ্যে তা নখের মেলানোমা (এক ধরনের ক্যানসার)-এর লক্ষণ হতে পারে। দাগটি চওড়া হওয়া, আশেপাশের চামড়া কালচে হয়ে যাওয়া কিংবা নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া—এসব বিষয় উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
মোটা হলদে নখ: সাধারণত ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে হাত-পায়ের নখ মোটা ও হলুদ হয়ে যায়। তবে ডাসোরিয়াসিস, একজিমা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও নখের এমন অবস্থা হতে পারে। তাই কেবল বাহ্যিক রূপ দেখে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এক বার অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
নখের রং বদলে যাওয়া: নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে যাচ্ছে? এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। লিম্ফিডেমা (পরজীবী সংক্রান্ত এক ধরনের জটিলতা, কয়েকটি জেনেটিক ব্যাধিতেও দেখা যায়) নামক রোগে এমনটা হয়। এ ছাড়াও ফুসফুসের নানা সমস্যাতেও পায়ের নখের রং হলদে হয়ে যেতে পারে। শরীরের রোগপ্রতিরোধ শক্তির সমস্যা হলেও পায়ের নখের রং ধীরে ধীরে হলুদ হয়। জন্ডিস হলেও তাই। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।