চটজলদি রোগা হতে হবে? জল পানের পরিমাণ কমিয়ে দেন দিশা

আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০২:৪৩:২১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০২:৪৩:২১ অপরাহ্ন
ফিটনেস সচেতন বলিউড তারকাদের মধ্যে তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে দিশা পটানীর নাম। প্রবল কায়িক শ্রম করা এবং কঠোর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার জন্য বিশেষ ভাবে সুখ্যাত তিনি। ছিপছিপে, নির্মেদ চেহারায় জিমনাস্টিকের দুর্দান্ত সমস্ত ঝলক প্রকাশ করে অনুরাগীদের চমকে দেন তিনি। নিয়মভঙ্গ নয়, রোজ রোজ একই নিয়মে শারীরচর্চা করেন অভিনেত্রী। ক্লান্তি নেই, আলস্য নেই। কী ভাবে নিজেকে রোজ অনুপ্রাণিত করেন দিশা?

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে এই প্রশ্নই করা হয়েছিল। দিশার উত্তর, ‘‘আমি এখনও ব্যায়াম এবং শারীরচর্চার জগতের অনেক কিছু শিখে উঠতে পারিনি। আরও অনেক কিছু শেখার আছে। আমার মনে হয়, আমি যদি শক্তিশালী হই, তা হলে সেগুলি করতে পারব। তাই ভারোত্তোলন ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ব্যায়াম আমি করি। মিক্সড মার্শাল আর্ট, নাচ ইত্যাদি। এটাই বোধহয় আমায় রোজ অনুপ্রাণিত করে।’’

কোনও চরিত্রের জন্য প্রস্তুতির সময়ে শারীরচর্চা এবং খাওয়াদাওয়ার বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তিনি। ৫০ শতাংশ ব্যায়াম, ৫০ শতাংশ ডায়েটের উপর নির্ভর করে রুটিন তৈরি করেন। তাঁর কথায়, ‘‘সবই চরিত্রের উপর নির্ভর করে। দরকারে আমি জল খাওয়া কমাই, কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমাই, যদি পেশির ঘনত্ব বাড়াতে হয়, তা হলে আবার সেগুলিকে বাড়িয়েও দিতে হয়। আসলে ডায়েট এবং শক্তিবর্ধক ব্যায়াম একে অপরের পরিপূরক। একটা ছাড়া অন্যটি সম্ভব নয়।’’

ভারোত্তোলন এবং মার্শাল আর্টস দু’টিই থাকে দিশার রুটিনে। ফলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় হতে পারে। তার পাশাপাশি শরীরের সমন্বয় রক্ষা করার ক্ষমতা, ভারসাম্য বজায় রাখার দক্ষতা এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে সাহায্য করে। মার্শাল আর্টস একই সঙ্গে একাগ্রতাও বাড়াতে পারে। তা ছাড়া নাচেও শরীরের প্রতিটি পেশি সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পায়। তার সঙ্গে জিমনাস্টিকসের কিছু কায়দাও যোগ করে দেওয়া যায়। ফলে শরীরের নমনীয়তাও অনেকটাই বাড়ে। ক্যালোরি পোড়ানো এবং মেদ ঝরানোর জন্য দিশার ফিটনেস রুটিনের জুড়ি মেলা ভার। তবে তাঁর সাক্ষাৎকার থেকে এ কথা স্পষ্ট, কেবল ছিপছিপে, নির্মেদ থাকার জন্য নয়, নিজের শরীরের জোর বাড়ানোও অন্যতম লক্ষ্য নায়িকার।

তবে রোগা হওয়ার জন্য জল খাওয়া কেন কমান দিশা? ফোলা ভাব বা ‘ব্লটিং’ কমানোর জন্য অনেকে জল খাওয়া কমিয়ে দেন। কারণ, তাঁদের ধারণা, শরীরে জল বেশি জমলেই শরীর ফুলে যায় বা ওয়াটার রিটেনশন হয়। তবে এটি অধিকাংশ সময়েই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। শরীরে জলের ঘাটতি বা সোডিয়াম জমে যাওয়া অথবা কিডনির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।ফিটনেস সচেতন বলিউড তারকাদের মধ্যে তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে দিশা পটানীর নাম। প্রবল কায়িক শ্রম করা এবং কঠোর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার জন্য বিশেষ ভাবে সুখ্যাত তিনি। ছিপছিপে, নির্মেদ চেহারায় জিমনাস্টিকের দুর্দান্ত সমস্ত ঝলক প্রকাশ করে অনুরাগীদের চমকে দেন তিনি। নিয়মভঙ্গ নয়, রোজ রোজ একই নিয়মে শারীরচর্চা করেন অভিনেত্রী। ক্লান্তি নেই, আলস্য নেই। কী ভাবে নিজেকে রোজ অনুপ্রাণিত করেন দিশা?

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে এই প্রশ্নই করা হয়েছিল। দিশার উত্তর, ‘‘আমি এখনও ব্যায়াম এবং শারীরচর্চার জগতের অনেক কিছু শিখে উঠতে পারিনি। আরও অনেক কিছু শেখার আছে। আমার মনে হয়, আমি যদি শক্তিশালী হই, তা হলে সেগুলি করতে পারব। তাই ভারোত্তোলন ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ব্যায়াম আমি করি। মিক্সড মার্শাল আর্ট, নাচ ইত্যাদি। এটাই বোধহয় আমায় রোজ অনুপ্রাণিত করে।’’

কোনও চরিত্রের জন্য প্রস্তুতির সময়ে শারীরচর্চা এবং খাওয়াদাওয়ার বিষয়টিকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখেন তিনি। ৫০ শতাংশ ব্যায়াম, ৫০ শতাংশ ডায়েটের উপর নির্ভর করে রুটিন তৈরি করেন। তাঁর কথায়, ‘‘সবই চরিত্রের উপর নির্ভর করে। দরকারে আমি জল খাওয়া কমাই, কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমাই, যদি পেশির ঘনত্ব বাড়াতে হয়, তা হলে আবার সেগুলিকে বাড়িয়েও দিতে হয়। আসলে ডায়েট এবং শক্তিবর্ধক ব্যায়াম একে অপরের পরিপূরক। একটা ছাড়া অন্যটি সম্ভব নয়।’’

ভারোত্তোলন এবং মার্শাল আর্টস দু’টিই থাকে দিশার রুটিনে। ফলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় হতে পারে। তার পাশাপাশি শরীরের সমন্বয় রক্ষা করার ক্ষমতা, ভারসাম্য বজায় রাখার দক্ষতা এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে সাহায্য করে। মার্শাল আর্টস একই সঙ্গে একাগ্রতাও বাড়াতে পারে। তা ছাড়া নাচেও শরীরের প্রতিটি পেশি সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পায়। তার সঙ্গে জিমনাস্টিকসের কিছু কায়দাও যোগ করে দেওয়া যায়। ফলে শরীরের নমনীয়তাও অনেকটাই বাড়ে। ক্যালোরি পোড়ানো এবং মেদ ঝরানোর জন্য দিশার ফিটনেস রুটিনের জুড়ি মেলা ভার। তবে তাঁর সাক্ষাৎকার থেকে এ কথা স্পষ্ট, কেবল ছিপছিপে, নির্মেদ থাকার জন্য নয়, নিজের শরীরের জোর বাড়ানোও অন্যতম লক্ষ্য নায়িকার।

তবে রোগা হওয়ার জন্য জল খাওয়া কেন কমান দিশা? ফোলা ভাব বা ‘ব্লটিং’ কমানোর জন্য অনেকে জল খাওয়া কমিয়ে দেন। কারণ, তাঁদের ধারণা, শরীরে জল বেশি জমলেই শরীর ফুলে যায় বা ওয়াটার রিটেনশন হয়। তবে এটি অধিকাংশ সময়েই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। শরীরে জলের ঘাটতি বা সোডিয়াম জমে যাওয়া অথবা কিডনির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]