সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৪:৪৫:০৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৪:৪৫:০৮ অপরাহ্ন

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ নিরাপদে ও আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। আবার কারও আপনজন সেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাদের নিজেদের কিংবা স্বজনদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে পারছেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে আরও উন্নত ও বাসযোগ্য করে তোলা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল—সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।”

রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেই বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, “আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”

জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

১০ শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্য পেলেন নিয়োগপত্র

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ১০ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী।

এ ছাড়া গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারও চাকরির নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্নাও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

চাকরির নিয়োগপত্র পেয়ে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]