গাংনীতে মাটি খুঁড়ে মিলল ১০টি ল্যান্ডমাইনসদৃশ বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক

আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৪:২৮:৫৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৬ ০৪:২৮:৫৩ অপরাহ্ন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় রাস্তা মেরামতের জন্য মাটি কাটার সময় ১০টি অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইনসদৃশ বস্তু ও পাঁচটি প্লাস্টিকের টুলবক্স উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিস্ফোরক হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ (বম্ব ডিসপোজাল) ইউনিটের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামে এসব মাইনসদৃশ বস্তু দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাস্থলে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে এবং এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা জাদু শাহ জানান, বাড়ি তৈরির ইট আনার সুবিধার্থে মনি সাহেবের বাড়ির পেছনে রাস্তার পাশে থাকা উঁচু জমি থেকে মাটি কেটে রাস্তায় দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি বৃষ্টির পানিতে ওই মাটি কিছুটা ধুয়ে যাওয়ার পর শনিবার সকালে সেখানে ইট রাখতে গেলে মাটির নিচে প্লাস্টিকের টুলবক্স ও মাইনসদৃশ বস্তুগুলো দেখা যায়।

বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা গাংনী থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করে দেয়।

গাংনী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর হোসেন টকি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সীমান্তবর্তী দৌলতপুর উপজেলার তেকালা গ্রামের ‘ব্যাংগাড়ির মাঠ’ এলাকায় বড় ধরনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। তার ধারণা, ওই সময় মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলার উদ্দেশ্যে এ ধরনের মাইন মাটির নিচে পুঁতে রাখতে পারেন। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা প্রয়োজন।

গাংনী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস বলেন, “ল্যান্ডমাইনসদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর পেয়েই পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। ইতোমধ্যে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তাদের সদস্যরা এসে বিস্তারিত পরীক্ষা করার পরই এগুলোর আসল পরিচয় ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানা যাবে।”

এদিকে, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পরবর্তী নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]