বিদেশ পাঠানোর আশ্বাস: দুুই যুবকের প্রতারণায় সর্বশান্ত ৪ পরিবার!

আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০৬:৫১:৪৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৬ ০৬:৫১:৪৬ অপরাহ্ন
বিদেশ পাঠানোর নামে দুুই যুবকের প্রতারণায় সর্বশান্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে চারটি পরিবার। ঘটনাটি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের বিলশা গ্রামে ঘটেছে। ৩ বছর আগে ধারদেনা করে দেয়া টাকা ফেরৎ চাইতে গিয়ে উল্টো অপহরণ মামলার শিকার হন বলে দাবী করেছেন ওইসব পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (৭ আগষ্ট) বেলা ১১টায় বিলশা হাইস্কুলের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে ওই গ্রামের মামুন ও গোলাপের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া পাঠানোর আশ্বাসে ২৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।এসময় কান্নাজরিত কন্ঠে ঘটনার বর্ননা দেন ভুক্তভোগী চার পরিবারের কাজলী বেগম, পারভীন খাতুন, হাসিনা বেগম, ফরিদা বেগম ও চান্দু প্রামানিক।

তারা জানান, ২০২৩ সালের ৩ নভেম্বর বিলশা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মামুন ও জয়নাল আলীর ছেলে গোলাপ মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে একই গ্রামের রেজাউল করিম রকি, সুরুজ আলী, সুমন ও লালু ফকিরের কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা গ্রহণ নেন। যার লিখিত রাজস্ব স্ট্যাম্প ও সাক্ষ্য প্রমান আছে। 

তাদের আর্তনাদ, বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হলে টাকা ফিরিয়ে দেবার কথা হয়। এখন টাকা চাইলে হুমকি-ধামকি দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য বৈঠক হলেও তারা টাকা ফিরিয়ে দেননি। নিরুপায় হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, সেনাক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ দেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার। কিন্তু প্রতারকরা সময় নিয়েও সে টাকা ফিরিয়ে দেয়নি। টাকা ফিরে পেতে নাটোর আদালতে মামলা করেছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৪ আগষ্ট মঙ্গলবার তাদের দায়ের করা মামলার নির্ধারিত তারিখে হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ওই প্রতারকরা মিথ্যা অপহরণের নাটক সাজিয়ে উল্টো তাদের নামেই মিথ্যা মামলা করেছে। সে মামলায় দুজন জেল হাজতে রয়েছে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও টাকা ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, চারজন বৈদেশিক কর্মসংস্থান অফিসের মাধ্যমে টাকা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন। অফিসে টাকা জমার সময় তিনি ও শাওন আহম্মেদ গোলাপ উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রতারণা বা কোন টাকা আত্মসাৎ করেননি।

খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলন জানান, বিষয়টি নিয়ে তার মাধ্যমে একটি সমঝোতা বৈঠক হয়। সেখানে তারা টাকা ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে ক্ষতিগ্রস্থরা টাকা পেয়েছে কিনা সেটা তার জানা নাই।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]