সপ্তম স্ত্রীকে হত্যায় যত টাকা দেন জামায়াতকর্মী

আপলোড সময় : ০৫-০৮-২০২৬ ০৭:১৮:৫৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৫-০৮-২০২৬ ০৭:১৮:৫৪ অপরাহ্ন
সাবেক স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করে ভাড়াটে খুনিকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার জামায়াতের সাবেক রুকন আবু বক্কর সিদ্দিককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর আত্মসমর্পণ করলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আমজাদ হোসাইন জানান, আবু বক্কর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাদেকুর রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে আবু বক্করকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি সালেহা বেগমকে গোপনে বিয়ে করেছিলেন। পরে তার কাছ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা নিয়ে জমি কেনার কথা বললেও তা না করে আরও টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আবু বক্কর ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে মো. সেলিম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়িত্ব দেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫ সালের ১৫ জুন সালেহা বেগমকে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যার পর তার স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত সেলিম এবং পরে সাভারে সেগুলো বিক্রি করেন বলেও তদন্তে বলা হয়েছে।

পরদিন ১৬ জুন কমলনগর উপজেলার মতিরহাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর থেকে সালেহা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফাতেমা বেগম কমলনগর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে গ্রেপ্তার হন মো. সেলিম। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ। ওই জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ একাধিকবার আবু বক্করকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলেও তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। অবশেষে গত সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্যাহ বলেন, আবু বক্কর বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কোনো পদে নেই। তবে তিনি অতীতে দলটির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। অভিযোগপত্রে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনো হয়নি।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]