গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কেয়া নামে এক শিক্ষার্থী হঠাৎ করেই মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলার মৌচাক কামরাঙ্গা চালা এলাকায় এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখতে হাজারো মানুষের ঢল নামে।
কেয়া ওই এলাকার আব্দুল কাইয়ুম দেওয়ানের সন্তান। বর্তমানে তার নাম রাখা হয়েছে আব্দুর কাবির দেওয়ান।
পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় ধানসিঁড়ি পাবলিক স্কুলে কেয়া আক্তার নামে পড়াশোনা করে আসছিল। সে এবার ওই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদিকে হঠাৎ করেই শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে সামনে উৎসুক জনতার ভিড় করতে থাকে।
তবে ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের দাবি গত ২০২৫ সালের শেষের দিকে এই শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। তবে লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন বিষয়টি প্রকাশিত হয়নি।
ধানসিঁড়ি পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, কত কয়েকদিন আগে আমার ওই শিক্ষার্থী মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পারি। তবে সে এতদিন কেয়া নামেই এখানে পড়াশোনা করেছে। R.tv
এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলার মৌচাক কামরাঙ্গা চালা এলাকায় এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখতে হাজারো মানুষের ঢল নামে।
কেয়া ওই এলাকার আব্দুল কাইয়ুম দেওয়ানের সন্তান। বর্তমানে তার নাম রাখা হয়েছে আব্দুর কাবির দেওয়ান।
পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় ধানসিঁড়ি পাবলিক স্কুলে কেয়া আক্তার নামে পড়াশোনা করে আসছিল। সে এবার ওই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদিকে হঠাৎ করেই শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে সামনে উৎসুক জনতার ভিড় করতে থাকে।
তবে ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের দাবি গত ২০২৫ সালের শেষের দিকে এই শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। তবে লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন বিষয়টি প্রকাশিত হয়নি।
ধানসিঁড়ি পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, কত কয়েকদিন আগে আমার ওই শিক্ষার্থী মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পারি। তবে সে এতদিন কেয়া নামেই এখানে পড়াশোনা করেছে। R.tv