রাজশাহীর কাটাখালী থানার ইউসুফপুর ইউনিয়নের কাকাইলকাটি গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে দিপু (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে যায় শিশুটি। খেলা শেষে মাগরিবের আজানের সময় বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির নিকটবর্তী একটি পুকুরপাড়ে পৌঁছালে অভিযুক্ত দিপু তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে বলাৎকার করেন।
পরিবারের দাবি, এ সময় শিশুটি আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তাকে পুকুরের পানিতে তিনবার চুবিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীর এক চাচাতো ভাই তার কান্নার শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত ঘটনাটি কাউকে জানালে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পিতা জানান, সামাজিক লোকলজ্জার কারণে প্রথমদিকে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেন তারা। তবে পরদিন সন্ধ্যায় শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয়দের পরামর্শে দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
এ বিষয়ে কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সুমন কাদেরী বলেন, ইউসুফপুর ইউনিয়নের কাকাইলকাটি গ্রামে শিশু বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়। ভুক্তভোগী শিশু ও তার মা থানায় এলে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, অভিযানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রাথমিক তদন্তাধীন রয়েছে। লিখিত এজাহার পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে যায় শিশুটি। খেলা শেষে মাগরিবের আজানের সময় বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির নিকটবর্তী একটি পুকুরপাড়ে পৌঁছালে অভিযুক্ত দিপু তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে বলাৎকার করেন।
পরিবারের দাবি, এ সময় শিশুটি আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তাকে পুকুরের পানিতে তিনবার চুবিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীর এক চাচাতো ভাই তার কান্নার শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত ঘটনাটি কাউকে জানালে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পিতা জানান, সামাজিক লোকলজ্জার কারণে প্রথমদিকে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেন তারা। তবে পরদিন সন্ধ্যায় শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয়দের পরামর্শে দ্রুত পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
এ বিষয়ে কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সুমন কাদেরী বলেন, ইউসুফপুর ইউনিয়নের কাকাইলকাটি গ্রামে শিশু বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়। ভুক্তভোগী শিশু ও তার মা থানায় এলে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, অভিযানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রাথমিক তদন্তাধীন রয়েছে। লিখিত এজাহার পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।