মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তার সৎ বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
ঘিওর থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও স্ত্রীর আগের ঘরের ১১ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন জুলহাস নামে এক কারখানা শ্রমিক। অভিযোগ রয়েছে, গত রোববার সকালে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বিষয়টি তার মাকে জানায়।
ভুক্তভোগী শিশুর অভিযোগ, এর আগেও পাঁচ থেকে ছয়বার একইভাবে সে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অভিযুক্তের ভয়ভীতি ও হুমকির কারণে এতদিন ঘটনাগুলো গোপন রাখতে বাধ্য হয়েছিল বলে সে মাকে জানায়।
সোমবার সকালে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিলে তার মা তাকে নিয়ে বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টুর কাছে যান। অভিযোগ পাওয়ার পর চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে ঘিওর থানাকে বিষয়টি অবহিত করেন।
বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টু বলেন, ভুক্তভোগী শিশু ও তার মা পরিষদে এসে অভিযোগ দেওয়ার পরপরই বিষয়টি থানার ওসিকে জানানো হয়।
শিশুটির মা বলেন, আমার স্বামী এমন জঘন্য কাজ করতে পারেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত জুলহাসকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
ঘিওর থানার পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বানিয়াজুরী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও স্ত্রীর আগের ঘরের ১১ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন জুলহাস নামে এক কারখানা শ্রমিক। অভিযোগ রয়েছে, গত রোববার সকালে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বিষয়টি তার মাকে জানায়।
ভুক্তভোগী শিশুর অভিযোগ, এর আগেও পাঁচ থেকে ছয়বার একইভাবে সে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অভিযুক্তের ভয়ভীতি ও হুমকির কারণে এতদিন ঘটনাগুলো গোপন রাখতে বাধ্য হয়েছিল বলে সে মাকে জানায়।
সোমবার সকালে শিশুটি কান্নাকাটি করে মায়ের কাছে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিলে তার মা তাকে নিয়ে বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টুর কাছে যান। অভিযোগ পাওয়ার পর চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে ঘিওর থানাকে বিষয়টি অবহিত করেন।
বানিয়াজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস আর আনসারী বিল্টু বলেন, ভুক্তভোগী শিশু ও তার মা পরিষদে এসে অভিযোগ দেওয়ার পরপরই বিষয়টি থানার ওসিকে জানানো হয়।
শিশুটির মা বলেন, আমার স্বামী এমন জঘন্য কাজ করতে পারেন, তা কখনো কল্পনাও করিনি।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত জুলহাসকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুর চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।