খিচুড়ি রান্না ভালো না হওয়ায় স্বামীর মারপিটের পর মোছা. সালমা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত সালমা খাতুন উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর গ্রামের খুকনিপাড়ার মো. আব্দুল জলিলের স্ত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুল জলিলের স্ত্রী সকালে নাস্তার জন্য খিচুড়ি রান্না করেন। কিন্তু খিচুড়ির স্বাদ মনমতো না হওয়ায় স্বামী আব্দুল জলিল স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে বাকবিতন্ডায় জড়ান। পরে মারধরও করেন। কিছুক্ষণ পরে ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ সালমা খাতুনকে পাওয়া যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে এ মৃত্যু নিয়ে কোনো দাবি নেই নিহত সালমা খাতুনের বাবা শাহাদত হোসেনের।
সোমবার বিকেলে ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, গৃহবধূর পরিবার তার মৃত্যুর কারণকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে মৃত্যু প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত সালমা খাতুন উপজেলার মাগুড়াবিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর গ্রামের খুকনিপাড়ার মো. আব্দুল জলিলের স্ত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আব্দুল জলিলের স্ত্রী সকালে নাস্তার জন্য খিচুড়ি রান্না করেন। কিন্তু খিচুড়ির স্বাদ মনমতো না হওয়ায় স্বামী আব্দুল জলিল স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমে বাকবিতন্ডায় জড়ান। পরে মারধরও করেন। কিছুক্ষণ পরে ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ সালমা খাতুনকে পাওয়া যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে এ মৃত্যু নিয়ে কোনো দাবি নেই নিহত সালমা খাতুনের বাবা শাহাদত হোসেনের।
সোমবার বিকেলে ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, গৃহবধূর পরিবার তার মৃত্যুর কারণকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে মৃত্যু প্রকৃত কারণ জানা যাবে।