‘মাসে পাঁচ-ছয় বার ঘনিষ্ঠ হতে হবে’, প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রস্তাবে থ আকাঙ্ক্ষা!

আপলোড সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ০৬:০৭:৪৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৮-২০২৬ ০৬:০৭:৪৫ অপরাহ্ন
রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ: সচ ইয়া সজা’ থেকে বিদায় নিয়েছেন মডেল আকাঙ্ক্ষা চৌধরী। অনুষ্ঠান ছাড়ার আগে তিনি নিজের জীবনের কাস্টিং কাউচের কথা ভাগ করে নেন। আকাঙ্ক্ষার অভিযোগ, সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার জগতের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি আর্থিক সাহায্যের বদলে তাঁর কাছে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর সাহসের প্রশংসা করেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ফরাহ খান এবং রিতেশ দেশমুখ।

আকাঙ্ক্ষা বলেন, “আমি একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে চেয়েছিলাম। পোশাক, প্রশিক্ষণ-সহ নানা খরচের জন্য ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা দরকার ছিল। আমাদের সেই সামর্থ্য ছিল না। বাবা-মাও টাকা দিতে পারেননি। তখন আমি এক প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁর নাম বলতে চাই না, কারণ তিনি খুব বড় নাম। বহু বছর ধরে তাঁকে চিনতাম। বিভিন্ন সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসাবে আসতেন। শুনেছিলাম, তিনি অনেক প্রতিযোগীকে আর্থিক সাহায্য করেছেন। তাই আমিও তাঁর কাছে দু’মাসের জন্য সাহায্য চেয়েছিলাম। বলেছিলাম, পরে কাজ করে সেই টাকা শোধ করে দেব। আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছি, ভাল কথা বলতে পারি, তাই তাঁর সংস্থায় কাজও করতে পারতাম। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে আমাকে বাড়িতে ডাকেন।”

তার পরেই সেই ঘটনার কথা জানান আকাঙ্ক্ষা। তাঁর কথায়, “ওই বাড়িতে আমি আগে গিয়েছি। প্রশিক্ষকদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু সে দিন আমি পৌঁছোতেই উনি আমাকে জড়িয়ে ধরেন। শুধু জড়িয়েই ধরেননি, অশালীন ভাবে স্পর্শ করতে থাকেন। আমি তাঁকে সরিয়ে দিই। তার পর তিনি বসে বলেন, ‘এক বছর পর তোমাকে দেখে ভাল লাগছে। এখন তুমি বড় হয়েছ। এক বছর আগে যখন এসেছিলে, তখন তোমার চিন্তাভাবনা খুব সেকেলে ছিল। যদি তখন আমার সঙ্গে থাকতে, তা হলে এত দিনে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে যেতে। এখন তো কেউ কাজ দিচ্ছে না। আমি তোমাকে টাকা দেব, কিন্তু তার বদলে আমার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে হবে।’ তিনি সব পরিকল্পনাও করে রেখেছিলেন। এক মাসে পাঁচ-ছয় বার তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে বলে জানান।”

আকাঙ্ক্ষা তখন সেই প্রভাবশালী ব্যক্তিকে বলেছিলেন, “স্যর, আমি জানতাম না এমন কিছু হবে। জানলে কখনও এখানে আসতাম না।”এই উত্তর শুনে আকাঙ্ক্ষাকে ফের সেকেলে বলেছিলেন সেই ব্যক্তি। এ-ও বলেছিলেন, “এই ইন্ডাস্ট্রিতে এ সব না করলে কিছু হয় না।”

আকাঙ্ক্ষার কথা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ফরাহ খান এবং রিতেশ দেশমুখ। ফরাহ তখন বলেন, “আশা করি, ওই ব্যক্তি এই অনুষ্ঠান দেখছেন এবং বুঝতে পারছেন, আজ তুমি কোথায় পৌঁছেছ। তোমার চিন্তাভাবনা মোটেই সেকেলে নয়, বরং একেবারে সঠিক। তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত।”

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]