রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া হাট থেকে মোল্লাপাড়া হাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে জিউপাড়া ইউনিয়ন ও পুঠিয়া পৌরসভার সীমানা-সংক্রান্ত জটিলতায় সংস্কারবঞ্চিত ছিল। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর উন্নয়নকাজ থমকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজারো শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। অবশেষে সরকারি উদ্যোগে সড়কের একটি অংশ সংস্কার করা হয়েছে। এতে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও দ্রুত অবশিষ্ট অংশের উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে ঝলমলিয়া এলাকার বেল্লালের রাইস মিল থেকে বালু বেল্লালের বাড়ি পর্যন্ত অংশে হেরিংবোন বন্ড (এইচবিবি) পদ্ধতিতে সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়।
রোববার (২ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে কাদাময় হয়ে পড়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় অচল হয়ে যেত। শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। অনেক সময় জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারে পরিবহনেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
বর্তমানে সংস্কার করা অংশে যানবাহন ও মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে সড়কের অবশিষ্ট অংশ এখনও ভাঙাচোরা থাকায় দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক হোসেন চৌধুরী বলেন, “সড়কটি সংস্কারের জন্য একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু ইউনিয়ন ও পৌরসভার সীমানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন কাজ শুরু হয়নি। অবশেষে একাংশের কাজ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।”
আরেক বাসিন্দা আরিফ হাসান বলেন, শুধু একাংশ নয়, পুরো সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। তাহলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝলমলিয়া হাট ও মোল্লাপাড়া হাটের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সড়ক এটি। প্রতিদিন শত শত মানুষ, কৃষিপণ্যবাহী যানবাহন, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা এই পথ ব্যবহার করেন। তাই সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার শুধু যাতায়াত সহজ করবে না, বরং স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক জটিলতার স্থায়ী সমাধান করে অবশিষ্ট অংশের সংস্কারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। এতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কটি নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগব্যবস্থায় পরিণত হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে ঝলমলিয়া এলাকার বেল্লালের রাইস মিল থেকে বালু বেল্লালের বাড়ি পর্যন্ত অংশে হেরিংবোন বন্ড (এইচবিবি) পদ্ধতিতে সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়।
রোববার (২ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি জমে কাদাময় হয়ে পড়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় অচল হয়ে যেত। শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। অনেক সময় জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য বাজারে পরিবহনেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
বর্তমানে সংস্কার করা অংশে যানবাহন ও মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তবে সড়কের অবশিষ্ট অংশ এখনও ভাঙাচোরা থাকায় দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক হোসেন চৌধুরী বলেন, “সড়কটি সংস্কারের জন্য একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু ইউনিয়ন ও পৌরসভার সীমানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন কাজ শুরু হয়নি। অবশেষে একাংশের কাজ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে।”
আরেক বাসিন্দা আরিফ হাসান বলেন, শুধু একাংশ নয়, পুরো সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। তাহলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝলমলিয়া হাট ও মোল্লাপাড়া হাটের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সড়ক এটি। প্রতিদিন শত শত মানুষ, কৃষিপণ্যবাহী যানবাহন, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা এই পথ ব্যবহার করেন। তাই সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার শুধু যাতায়াত সহজ করবে না, বরং স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক জটিলতার স্থায়ী সমাধান করে অবশিষ্ট অংশের সংস্কারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। এতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই সংযোগ সড়কটি নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগব্যবস্থায় পরিণত হবে।