নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় বাজারে জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন রসুনের আড়তদার ব্যবসায়ী বাকি বিল্লাহ জুয়েল। মুখোশ বা মাস্ক পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও চলাচলের পথে সন্দেহজনকভাবে অনুসরণ করছে এবং গদিঘরের তালা ভাঙার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে চাঁচকৈড় রসুন হাটে অবস্থিত আলাউদ্দিন ট্রেডার্সের গদিঘরে সংবাদ সম্মেলন করেন বাকি বিল্লাহ জুয়েল। এসময় তিনি বলেন- দীর্ঘদিন ধরে গভীর রাতে ও ভোরের দিকে কয়েকজন মুখোশ বা মাস্ক পরিহিত ব্যক্তি তার গদিঘরের সামনে ঘোরাফেরা করছে। একাধিকবার গদিঘরের তালা ভাঙার চেষ্টাও করা হয়েছে। এসব ঘটনার পর থেকে তিনি চুরি ও লুটপাটের আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
তিনি জানান, তার গদিঘরে অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন রসুন ব্যবসায়ীর নগদ অর্থ গচ্ছিত থাকে। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবার হওয়ায় ভোর থেকেই রসুন কেনাবেচা শুরু হয় এবং ওই সময় গদিঘরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ অর্থ থাকে। এ কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন- শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, বাসায় যাতায়াতের পথেও কয়েকজন মাস্ক পরিহিত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছে। এতে নিজের ও পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজন ব্যক্তির ভিডিও ফুটেজ গদিঘরের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। এসব ফুটেজ গুরুদাসপুর থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যবসায়ী।
এ ব্যাপারে গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে চাঁচকৈড় রসুন হাটে অবস্থিত আলাউদ্দিন ট্রেডার্সের গদিঘরে সংবাদ সম্মেলন করেন বাকি বিল্লাহ জুয়েল। এসময় তিনি বলেন- দীর্ঘদিন ধরে গভীর রাতে ও ভোরের দিকে কয়েকজন মুখোশ বা মাস্ক পরিহিত ব্যক্তি তার গদিঘরের সামনে ঘোরাফেরা করছে। একাধিকবার গদিঘরের তালা ভাঙার চেষ্টাও করা হয়েছে। এসব ঘটনার পর থেকে তিনি চুরি ও লুটপাটের আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
তিনি জানান, তার গদিঘরে অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন রসুন ব্যবসায়ীর নগদ অর্থ গচ্ছিত থাকে। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবার হওয়ায় ভোর থেকেই রসুন কেনাবেচা শুরু হয় এবং ওই সময় গদিঘরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ অর্থ থাকে। এ কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন- শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়, বাসায় যাতায়াতের পথেও কয়েকজন মাস্ক পরিহিত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছে। এতে নিজের ও পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েকজন ব্যক্তির ভিডিও ফুটেজ গদিঘরের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। এসব ফুটেজ গুরুদাসপুর থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যবসায়ী।
এ ব্যাপারে গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।