ইরানে নতুন করে হামলা শুরু করেছে আমেরিকা। বৃহস্পতিবার দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকার সেনাবাহিনী সেন্ট্রাল কমান্ড সমাজমাধ্যমে এই হামলার কথা জানিয়েছে। জর্ডনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হানা এবং হরমুজ় প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ আক্রমণের জবাবে বৃহস্পতিবার প্রত্যাঘাত করা হয়েছে বলে দাবি মার্কিন বাহিনীর।
বুধবার মিশরের একটি বন্দরে ইরান ড্রোন হামলা চালায় বলে অভিযোগ। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মিশর। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সমঝোতার চেষ্টায় এই দেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগ, ইরানের ড্রোন বিস্ফোরণে আগুন লেগে গিয়েছিল মিশরের বন্দরে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে এর আগে কখনও মিশরকে নিশানা করা হয়নি। তার ঠিক পরের দিনই ইরানে হামলার ঝাঁঝ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা। সেন্ট্রাল কমান্ড প্রকাশ্যে মিশরের নাম না-করলেও সেখানে আক্রমণ মার্কিন আগ্রাসনের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে মার্কিন হানায় বৃহস্পতিবার তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’বছরের এক শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া, দেশের দক্ষিণ এবং পশ্চিম প্রান্তের একাধিক জায়গায় আমেরিকা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।
গত এপ্রিলে আমেরিকা এবং ইরান পারস্পরিক সমঝোতার মউ স্বাক্ষর করেছিল। সেখানে ৬০ দিনের সংঘর্ষবিরতি এবং দু’পক্ষের কূটনৈতিক আলোচনার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু জুন মাসেই সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে। হরমুজ়ে একের পর এক পণ্যবাহী জাহাজে হামলার অভিযোগ ওঠে ইরানের বিরুদ্ধে। তার জবাবে আমেরিকাও প্রত্যাঘাত করে। মার্কিন হানার পাল্টা দিতে গিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করে আসছে তেহরান।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা কিছু দিন স্থগিত ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার জর্ডনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী। তার পরেই কঠোর প্রত্যাঘাতের বার্তা দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল কমান্ড নিশানা করে ইরানের সেনাঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনঘাঁটি এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্রগুলিকে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
বুধবার মিশরের একটি বন্দরে ইরান ড্রোন হামলা চালায় বলে অভিযোগ। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মিশর। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সমঝোতার চেষ্টায় এই দেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগ, ইরানের ড্রোন বিস্ফোরণে আগুন লেগে গিয়েছিল মিশরের বন্দরে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে এর আগে কখনও মিশরকে নিশানা করা হয়নি। তার ঠিক পরের দিনই ইরানে হামলার ঝাঁঝ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা। সেন্ট্রাল কমান্ড প্রকাশ্যে মিশরের নাম না-করলেও সেখানে আক্রমণ মার্কিন আগ্রাসনের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে মার্কিন হানায় বৃহস্পতিবার তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’বছরের এক শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া, দেশের দক্ষিণ এবং পশ্চিম প্রান্তের একাধিক জায়গায় আমেরিকা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।
গত এপ্রিলে আমেরিকা এবং ইরান পারস্পরিক সমঝোতার মউ স্বাক্ষর করেছিল। সেখানে ৬০ দিনের সংঘর্ষবিরতি এবং দু’পক্ষের কূটনৈতিক আলোচনার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু জুন মাসেই সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে। হরমুজ়ে একের পর এক পণ্যবাহী জাহাজে হামলার অভিযোগ ওঠে ইরানের বিরুদ্ধে। তার জবাবে আমেরিকাও প্রত্যাঘাত করে। মার্কিন হানার পাল্টা দিতে গিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করে আসছে তেহরান।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা কিছু দিন স্থগিত ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার জর্ডনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী। তার পরেই কঠোর প্রত্যাঘাতের বার্তা দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল কমান্ড নিশানা করে ইরানের সেনাঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনঘাঁটি এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্রগুলিকে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।