বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে তুলে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় মাদরাসাশিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মাসুম বিল্লাহ নাটোরের সিংড়া উপজেলার চক হিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে।
তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৫ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে পর্দার আড়ালে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে, তার বাবা বাদী হয়ে ১১ এপ্রিল বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে চলে যান।
বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন অভিযান চালানোর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩১ জুলাই অভিযুক্ত শিক্ষকের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৫ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগের ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে পর্দার আড়ালে নিয়ে যৌন নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। পরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে, তার বাবা বাদী হয়ে ১১ এপ্রিল বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে চলে যান।
বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন অভিযান চালানোর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩১ জুলাই অভিযুক্ত শিক্ষকের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।