পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. জলিলুর রহমানকে এক ছাত্রীর সঙ্গে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন ও প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, আগামী ১ আগস্ট থেকে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, মো. জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও গত ২৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও কর্মপরিবেশ ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা ৩০ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। পরে ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত এবং প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ করে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।
এ সংক্রান্ত অফিস আদেশের অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. জলিলুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, অফিস সহকারী মো. জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিধি অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিরন ও প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, আগামী ১ আগস্ট থেকে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, মো. জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও গত ২৫ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও কর্মপরিবেশ ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা ৩০ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। পরে ম্যানেজিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত এবং প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ করে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।
এ সংক্রান্ত অফিস আদেশের অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. জলিলুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, অফিস সহকারী মো. জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিধি অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে।