রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার রায়ঘাটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া ও ইট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রায়ঘাটি এলাকার বাসিন্দা মো. জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ব্যবহৃত যাতায়াতের পথ বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শামসুল নাহার বিবি থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ২২ জুলাই সকালে তার বসতবাড়ির দক্ষিণ পাশের যাতায়াতের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২৭ জুলাই বিকেলে তার ছেলে সালমান হোসেন ওই পথ দিয়ে চলাচলের সময় বাঁশের বেড়ায় আঘাত পেয়ে আহত হন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্ত ব্যক্তি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এলাকাবাসীর পক্ষে মো. পলাশ হোসেনের দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত যাতায়াতের রাস্তাটি মো. জিয়াউর রহমান, মো. সফুর উদ্দিন, মোছা. ছালেহা বিবি, মোছা. মমেনা বিবি ও মোছা. শরিফা বিবি বাঁশের বেড়া ও ইট ফেলে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রায়ঘাটি এলাকার বাসিন্দা মো. জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ব্যবহৃত যাতায়াতের পথ বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী শামসুল নাহার বিবি থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ২২ জুলাই সকালে তার বসতবাড়ির দক্ষিণ পাশের যাতায়াতের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২৭ জুলাই বিকেলে তার ছেলে সালমান হোসেন ওই পথ দিয়ে চলাচলের সময় বাঁশের বেড়ায় আঘাত পেয়ে আহত হন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্ত ব্যক্তি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এলাকাবাসীর পক্ষে মো. পলাশ হোসেনের দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত যাতায়াতের রাস্তাটি মো. জিয়াউর রহমান, মো. সফুর উদ্দিন, মোছা. ছালেহা বিবি, মোছা. মমেনা বিবি ও মোছা. শরিফা বিবি বাঁশের বেড়া ও ইট ফেলে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।