রাজশাহী কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলন নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের পদ্ম পুকুরের সামনে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া মেহেদী হাসান (২৬) রাজশাহী কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি রাজশাহীর পবা উপজেলার মাধাইপাড়া গ্রামের লুৎফুর রহমানের ছেলে।
সহপাঠীদের দাবি, মেহেদী হাসান পূর্বে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন।
আটকের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে তল্লাশি চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মেসেঞ্জার গ্রুপে সক্রিয় থাকার আলামত পাওয়া গেছে বলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন। পরে তাকে রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মুস্তারী বলেন, “মেহেদী হাসানকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের পদ্ম পুকুরের সামনে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া মেহেদী হাসান (২৬) রাজশাহী কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি রাজশাহীর পবা উপজেলার মাধাইপাড়া গ্রামের লুৎফুর রহমানের ছেলে।
সহপাঠীদের দাবি, মেহেদী হাসান পূর্বে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন।
আটকের পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে তল্লাশি চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মেসেঞ্জার গ্রুপে সক্রিয় থাকার আলামত পাওয়া গেছে বলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন। পরে তাকে রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মুস্তারী বলেন, “মেহেদী হাসানকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এছাড়া শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।