রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার কেশবপুর পুলিশ ফাঁড়ির মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ নারীসহ তিনজন কথিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির অভিযোগে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৯ টাকা নগদ অর্থ এবং ১১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার (২৮ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম চারখুটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাণীদিঘী মাঠপাড়া গ্রামের শ্রী পলান দাসের ছেলে সনজিত কুমার (২৯)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা তিনটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সনজিতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে রাত সোয়া ১০টার দিকে হড়গ্রাম মুন্সীপাড়া এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় মো. নাদিম হোসেনের স্ত্রী আফরিন (২৫) এবং মো. মাহমুদুর রহমানের মেয়ে সুইটি খাতুন (৪২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানকালে আফরিনের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক বিক্রির অভিযোগে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৯ টাকা নগদ অর্থ এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত ১১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সনজিত ও আফরিন দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এ কাজে সুইটি খাতুন সহযোগিতা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার (২৮ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম চারখুটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাণীদিঘী মাঠপাড়া গ্রামের শ্রী পলান দাসের ছেলে সনজিত কুমার (২৯)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা তিনটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
সনজিতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে রাত সোয়া ১০টার দিকে হড়গ্রাম মুন্সীপাড়া এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় মো. নাদিম হোসেনের স্ত্রী আফরিন (২৫) এবং মো. মাহমুদুর রহমানের মেয়ে সুইটি খাতুন (৪২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানকালে আফরিনের কাছ থেকে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মাদক বিক্রির অভিযোগে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৯ টাকা নগদ অর্থ এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত ১১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সনজিত ও আফরিন দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এ কাজে সুইটি খাতুন সহযোগিতা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে কাশিয়াডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।