রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ বাবা-ছেলে আফছার আলী (৬০) ও জিয়ারুল ইসলামের (৪০) সন্ধান মেলেনি।
বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো তাদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে পবা উপজেলার চরখানপুর এলাকার পদ্মার চর থেকে ঝাউগাছবোঝাই নৌকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নৌকা ডুবে গেলে আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম নিখোঁজ হন। তবে জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম (৫৫) প্রাণে রক্ষা পান।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পদ্মা নদীর স্রোতের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বড়কুঠি এলাকা এবং আশপাশের সম্ভাব্য স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
নিখোঁজ জিয়ারুল ইসলামের মা জাহেরা বেগম বলেন, “মানুষ পানিতে ডুবে গেলে একসময় ভেসে ওঠে। কিন্তু আমার স্বামী আর ছেলের কোনো খোঁজ নেই। আল্লাহ জানেন, তাদের সঙ্গে আর দেখা হবে কি না।”
রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর ফরহাদ হোসেন জানান, নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধার অভিযান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রয়োজনীয় নৌকা পৌঁছানোর পর উদ্ধারকাজ জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য সব এলাকায় অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, পবা উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় নিখোঁজদের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়স্বজনরা প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।
বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো তাদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে পবা উপজেলার চরখানপুর এলাকার পদ্মার চর থেকে ঝাউগাছবোঝাই নৌকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নৌকা ডুবে গেলে আফছার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম নিখোঁজ হন। তবে জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম (৫৫) প্রাণে রক্ষা পান।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পদ্মা নদীর স্রোতের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বড়কুঠি এলাকা এবং আশপাশের সম্ভাব্য স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
নিখোঁজ জিয়ারুল ইসলামের মা জাহেরা বেগম বলেন, “মানুষ পানিতে ডুবে গেলে একসময় ভেসে ওঠে। কিন্তু আমার স্বামী আর ছেলের কোনো খোঁজ নেই। আল্লাহ জানেন, তাদের সঙ্গে আর দেখা হবে কি না।”
রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর ফরহাদ হোসেন জানান, নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধার অভিযান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রয়োজনীয় নৌকা পৌঁছানোর পর উদ্ধারকাজ জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য সব এলাকায় অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, পবা উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় নিখোঁজদের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়স্বজনরা প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।