রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তজুড়ে মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চললেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে মূল মাদক সিন্ডিকেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গ্রেপ্তার হচ্ছেন কেবল মাদক বহনকারী বা ক্যারিয়ার, আর আড়ালে থেকে শত শত কোটি টাকার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন প্রভাবশালী মাফিয়া চক্র।
গত ২১ জুলাই রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ গ্রেফতার হন পুঠিয়া উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের দিনমজুর মোঃ ইকবাল হাসান (২৪)।
পরিবারের দাবি, তিনি বিপুল মূল্যের মাদকের মালিক নন; টাকার বিনিময়ে শুধু নির্দিষ্ট গন্তব্যে হেরোইন পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রও জানিয়েছে, ইকবাল মূলত একজন ক্যারিয়ার, আর চালানের প্রকৃত মালিক রয়েছেন আড়ালে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বছরের পর বছর ধরে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক দেশে প্রবেশ করছে। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মাদক ও হুন্ডির অর্থে অন্তত ৫০০ ব্যক্তি অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অধিকাংশই প্রমাণের অভাবে আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছেন।
গত ১৩ জুন রাজশাহীতে এক সেমিনারে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু দাবি করেন, গত দুই দশকে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুধু মাদক ব্যবসার মাধ্যমেই প্রায় এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি হয়েছেন। তিনি মাদক কারবারিদের তালিকা করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন।
এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকার মাদক জব্দ করলেও শীর্ষ মাদক নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য এখনো আসেনি। বিভিন্ন সংস্থার তালিকায় রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই শতাধিক সন্দেহভাজন মাদক ও হুন্ডি কারবারির নাম রয়েছে। এদের মধ্যে কেউ পলাতক, কেউ জামিনে মুক্ত থেকে আবারও একই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি গোদাগাড়ীর দুই শীর্ষ মাদক কারবারির সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। আরও ২০ জনের সম্পদের অনুসন্ধান চলছে। পর্যায়ক্রমে গোদাগাড়ীর ১৮৪ জন সন্দেহভাজন হেরোইন কারবারির সম্পদ ও অর্থের উৎস তদন্তের আওতায় আনা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু ক্যারিয়ার নয়, পুরো সিন্ডিকেটকে বিচারের মুখোমুখি করা গেলে সীমান্ত অঞ্চলের মাদক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।
গত ২১ জুলাই রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দেড় কেজি হেরোইনসহ গ্রেফতার হন পুঠিয়া উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের দিনমজুর মোঃ ইকবাল হাসান (২৪)।
পরিবারের দাবি, তিনি বিপুল মূল্যের মাদকের মালিক নন; টাকার বিনিময়ে শুধু নির্দিষ্ট গন্তব্যে হেরোইন পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রও জানিয়েছে, ইকবাল মূলত একজন ক্যারিয়ার, আর চালানের প্রকৃত মালিক রয়েছেন আড়ালে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বছরের পর বছর ধরে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক দেশে প্রবেশ করছে। এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মাদক ও হুন্ডির অর্থে অন্তত ৫০০ ব্যক্তি অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অধিকাংশই প্রমাণের অভাবে আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছেন।
গত ১৩ জুন রাজশাহীতে এক সেমিনারে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু দাবি করেন, গত দুই দশকে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুধু মাদক ব্যবসার মাধ্যমেই প্রায় এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি হয়েছেন। তিনি মাদক কারবারিদের তালিকা করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন।
এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক অভিযানে প্রায় ৫ কোটি টাকার মাদক জব্দ করলেও শীর্ষ মাদক নিয়ন্ত্রকদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য এখনো আসেনি। বিভিন্ন সংস্থার তালিকায় রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুই শতাধিক সন্দেহভাজন মাদক ও হুন্ডি কারবারির নাম রয়েছে। এদের মধ্যে কেউ পলাতক, কেউ জামিনে মুক্ত থেকে আবারও একই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি গোদাগাড়ীর দুই শীর্ষ মাদক কারবারির সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। আরও ২০ জনের সম্পদের অনুসন্ধান চলছে। পর্যায়ক্রমে গোদাগাড়ীর ১৮৪ জন সন্দেহভাজন হেরোইন কারবারির সম্পদ ও অর্থের উৎস তদন্তের আওতায় আনা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু ক্যারিয়ার নয়, পুরো সিন্ডিকেটকে বিচারের মুখোমুখি করা গেলে সীমান্ত অঞ্চলের মাদক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।