অল্লু অর্জুনের বিপরীতে ‘পুষ্পা’ ছবিতে অভিনয় করে রশ্মিকা মন্দানা কেবল দক্ষিণেই নয়, বলিউডেও প্রশংসিত হয়েছেন। তার পর ‘অ্যানিম্যাল’ আর ‘পুষ্পা ২’-তে তাঁর নজরকাড়া অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছে দর্শক। গানের তালে রশ্মিকার শরীরী হিল্লোল দেখে মুগ্ধ হয়েছে আসমুদ্রহিমাচল। রশ্মিকার ফিটনেসে অনুপ্রাণিত হয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা। শুধু কি ফিটনেস, রশ্মিকার ত্বকও যথেষ্ট ঈর্ষণীয়। রূপটানহীন ত্বকেও যেন ঠিকরে বেরোয় জেল্লা। কখনওই খুব বেশি উগ্র সাজে দেখা যায়নি রশ্মিকাকে। ছবির প্রচার হোক কিংবা কোনও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, ছিমছাম সাজেই নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী। রশ্মিকার জেল্লাদার ত্বকের রহস্য কী?
ছোটবেলায় সময়মতো ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস থাকলেও, বড় হওয়ার পর কর্মব্যস্ত জীবনের কারণে রশ্মিকার সেই রুটিন বদলে গিয়েছে, যার প্রভাব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ত্বকেও পড়েছে বলে মনে করেন রশ্মিকা। তা সত্ত্বেও অভিনেত্রীর ত্বকের উজ্জ্বল আভা নজর কাড়ে অনুরাগীদের। অভিনেত্রী বলেন, “ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ধুয়ে বাইরে বেরোনোর আগে আমি সানস্ক্রিন লাগাই। এ ছাড়া আমি ভিটামিন সি ব্যবহার করি। ভিটামিন সি না হলে আমার চলে না। ব্যস, এটুকুই।” তবে কী ভাবে তিনি ভিটামিন সি গ্রহণ করেন, তা জানাননি।
সময়মতো ঘুমোতে পারেন না বলে আক্ষেপ রয়েছে অভিনেত্রীর। তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলায় খুব ভাল ছিলাম। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তাম আর সময়মতো ঘুম থেকে উঠেও যেতাম। কিন্তু এখন সেই অভ্যাসে বেশ বদল এসেছে। এখন আমি অনেক রাতে ঘুমোই আর সকালে দেরি করে উঠি— যা মোটেও ভাল নয়।”
বেঙ্গালুরু নিবাসী চিকিৎসক শিরিন ফুর্তাদোর মতে, রশ্মিকার ভিটামিন সি ব্যবহারের অভ্যাসটি ত্বকের জন্য বেশ ভাল। তিনি জানান, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের গুণাগুণের জন্য পরিচিত ভিটামিন সি এমন সব ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে কাজ করে, যা অকালে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া এবং ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ছাড়া ভিটামিন সি ত্বক উজ্জ্বল করতে, হাইপারপিগমেন্টেশন বা ত্বকের কালো দাগের সমস্যা কমাতে এবং কোলাজেন উৎপাদনেও সহায়তা করে। তবে সবার ত্বকেই যে ভিটামিন সি সমান কাজ করবে, এমন নয়। অনেকের ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া, চামড়া ওঠা, ব্রণ, শুষ্কতা বা ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খাওয়া অথবা প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ, দুই-ই করা যেতে পারে। তবে তা করতে হবে প্রয়োজন বুঝে, দরকার হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে।
শিরিন বলেন, ‘‘সমাজমাধ্যমে তারকাদের ত্বক পরিচর্যার ভিডিয়ো দেখে অনেকেই সেই রুটিন মেনে চলতে শুরু করেন। এমনটা কখনওই করা উচিত নয়। সবার ত্বকের ধরন এক নয়, সব উপাদান সকলের ত্বকে এক রকম কাজও করে না। তাই মুখে কিছু লাগানোর আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।’’
ছোটবেলায় সময়মতো ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস থাকলেও, বড় হওয়ার পর কর্মব্যস্ত জীবনের কারণে রশ্মিকার সেই রুটিন বদলে গিয়েছে, যার প্রভাব সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ত্বকেও পড়েছে বলে মনে করেন রশ্মিকা। তা সত্ত্বেও অভিনেত্রীর ত্বকের উজ্জ্বল আভা নজর কাড়ে অনুরাগীদের। অভিনেত্রী বলেন, “ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ধুয়ে বাইরে বেরোনোর আগে আমি সানস্ক্রিন লাগাই। এ ছাড়া আমি ভিটামিন সি ব্যবহার করি। ভিটামিন সি না হলে আমার চলে না। ব্যস, এটুকুই।” তবে কী ভাবে তিনি ভিটামিন সি গ্রহণ করেন, তা জানাননি।
সময়মতো ঘুমোতে পারেন না বলে আক্ষেপ রয়েছে অভিনেত্রীর। তিনি বলেন, “আমি ছোটবেলায় খুব ভাল ছিলাম। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তাম আর সময়মতো ঘুম থেকে উঠেও যেতাম। কিন্তু এখন সেই অভ্যাসে বেশ বদল এসেছে। এখন আমি অনেক রাতে ঘুমোই আর সকালে দেরি করে উঠি— যা মোটেও ভাল নয়।”
বেঙ্গালুরু নিবাসী চিকিৎসক শিরিন ফুর্তাদোর মতে, রশ্মিকার ভিটামিন সি ব্যবহারের অভ্যাসটি ত্বকের জন্য বেশ ভাল। তিনি জানান, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের গুণাগুণের জন্য পরিচিত ভিটামিন সি এমন সব ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে কাজ করে, যা অকালে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া এবং ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ছাড়া ভিটামিন সি ত্বক উজ্জ্বল করতে, হাইপারপিগমেন্টেশন বা ত্বকের কালো দাগের সমস্যা কমাতে এবং কোলাজেন উৎপাদনেও সহায়তা করে। তবে সবার ত্বকেই যে ভিটামিন সি সমান কাজ করবে, এমন নয়। অনেকের ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া, চামড়া ওঠা, ব্রণ, শুষ্কতা বা ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার খাওয়া অথবা প্রয়োজনে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ, দুই-ই করা যেতে পারে। তবে তা করতে হবে প্রয়োজন বুঝে, দরকার হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে।
শিরিন বলেন, ‘‘সমাজমাধ্যমে তারকাদের ত্বক পরিচর্যার ভিডিয়ো দেখে অনেকেই সেই রুটিন মেনে চলতে শুরু করেন। এমনটা কখনওই করা উচিত নয়। সবার ত্বকের ধরন এক নয়, সব উপাদান সকলের ত্বকে এক রকম কাজও করে না। তাই মুখে কিছু লাগানোর আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।’’