ফাস্টফুড থেকে শিশুর শরীরে বাসা বাঁধছে অস্বাস্থ্যকর মেদ!

আপলোড সময় : ২৭-০৭-২০২৬ ০৬:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৭-০৭-২০২৬ ০৬:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন
সন্তানের স্কুলে যাওয়ার তাড়াহুড়ো, তার মধ্যেই গুছিয়ে দিতে হবে টিফিনবাক্স। কী দেবেন টিফিনে? ব্যস্ত মায়েদের কাছে এ এক বিষম প্রশ্ন! যার উত্তর খুঁজতে মূলত দু’টি চিন্তা কাজ করে মাথায়— এক, সন্তানের পেট যাতে ভরে এবং খেতে খারাপ না লাগে। দুই, এমন খাবার দিতে হবে, যা বানাতে বা গুছিয়ে দিতে বেশি সময় লাগবে না। ফলে দু’দিক সামলাতে মাঝে মধ্যেই টিফিনবাক্সে জায়গা পায় কেক, চকোলেট বিস্কুট, চিপস, ইনস্ট্যান্ট নুড‌্‌ল বা অন্য ফাস্ট ফুড। কিন্তু ‘এক-আধ দিন খেলে কিছু হবে না’ ভেবে সাজিয়ে দেওয়া ওই সব খাবারেই অস্বাস্থ্যকর মেদ বাসা বাঁধছে সন্তানের শরীরে।

ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি অ্যাটলাসের একটি পরিসংখ্যান বলছে, ভারতে অন্তত ৪ কোটি ১০ লক্ষ শিশু এই মুহূর্তে স্থূলত্বের সমস্যায় ভুগছে। যা তাদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দিচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই গতিতে যদি শিশুস্থূলত্ব বাড়ে, তবে ২০৩০ সালের মধ্যে গোটা পৃথিবীর স্থূল শিশুর মধ্যে ১১ শতাংশই হবে ভারতীয়। বিষয়টি এ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্যের জন্য বেশ চিন্তার! তবে পরিসংখ্যান দেখে একটু নড়েচড়ে বসেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বাস্থ্যের অবনতি রুখতে কিছু পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে তারা।

কী কী পদক্ষেপ করার কথা ভেবেছে আইসিএমআর?

১। চকোলেট, চিপস, কেক, বিস্কুটের মতো যে সমস্ত খাবার শিশুরাও খেয়ে থাকে, তা যদি অস্বাস্থ্যকর হয়, তবে সে সব খাবার বাজারে যাতে না পৌঁছোয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা।

২। স্কুলের ক্যাফেটেরিয়া বা ক্যান্টিনে বা স্কুলচত্বরে যে ধরনের খাবার পাওয়া যায়, তা নিয়ন্ত্রণ করা।

৩। প্যাকেটের সামনে পুষ্টি সংক্রান্ত বিশদ তথ্য লেখার প্রস্তাব দেওয়া।

৪। যে সমস্ত খাবারে চিনি, নুন এবং ফ্যাটের মাত্রা বেশি, তার উপর বেশি করা।

৫। দেশের খাদ্যসুরক্ষা কর্তৃপক্ষের যে আইন রয়েছে, সেই আইনবলে স্কুলের গেটের ৫০ মিটারের মধ্যে বেশি নুন-চিনি-ফ্যাট যুক্ত খাবারের বিক্রিবাটা এবং বিজ্ঞাপন বন্ধ করার ব্যাপারটি কড়া ভাবে বলবৎ করা।

৬। আইন বলবৎ করার জন্য নিয়মিত পরিদর্শন এবং নজরদারি করা।

এই প্রস্তাব এবং পদক্ষেপের পরিকল্পনা করেছেন স্বাস্থ্য বিষয়ক নীতি আয়োগ সদস্য এম শ্রীনিবাস। তিনি আইসিএমআর-এনআইএন পরিচালিত ‘লেট’স ফিক্স আওয়ার ফুড’ প্রকল্পের অধীনে ওই প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত তিন বছরের গবেষণার পরে ওই নীতি গ্রহণের কথা ভাবা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]