বিশ্বজয়ীর শিরোপা তাঁদের মাথায়। স্পেনের ফুটবল তারকা মার্ক কুকুরেয়া মাঝমাঠকে নিজের দখলে রাখেন। বিশ্বকাপের ফাইনালেও নিজের দক্ষতায় মুগ্ধ করেছেন শত কোটি ফুটবলপ্রেমীকে। মাঠে নামলেই তাঁর কোঁকড়ানো লম্বা চুল আলাদা করে চোখে পড়ে। স্পেনীয় মিডফিল্ডার কুকুরেয়ার এই চেহারা এখন তাঁর ব্যক্তিত্বের অংশ। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর চুলের কায়দা নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে, তার চেয়েও বেশি মানুষ কথা বলছেন তাঁর বাবা হিসেবে জীবনযুদ্ধ নিয়ে। আর তাঁর এই চুলের কায়দার নেপথ্যেও রয়েছে তাঁর পুত্রসন্তানের ভূমিকা।
কুকুরেয়ার বড় ছেলে মাতেয়োর অটিজ়ম ধরা পড়ে শৈশবে। সাত বছর বয়স এখন তার। কুকুরেয়া এবং তাঁর সঙ্গী ক্লডিয়া রড্রিগেজ় আগেই প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, তাঁদের বড় ছেলে মাতেয়ো অটিজ়মে আক্রান্ত। ছেলের এই অবস্থা জানার পর গোটা পরিবারের জীবনই বদলে যায়। নতুন সেই বাস্তবকে মেনে নিতে হয় কুকুরেয়াদের। ছেলের প্রয়োজন বোঝা, উপযুক্ত চিকিৎসা করানো ও সাহায্যের ব্যবস্থা করা— সবই ছিল তাঁদের কাছে এক নতুন শেখার পথ। এই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে একাধিক বার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তেও দেখা গিয়েছে কুকুরেয়াকে।
সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দাবি, মার্ক নাকি মাঠে চুল খুলে রাখেন ছেলের জন্য। যাতে দর্শকাসনে বসেও ছেলে তাঁকে দেখতে পায়, তাঁর খেলা উপভোগ করতে পারে। মনোবিদ আত্রেয়ী ভট্টাচার্য বলছেন, ‘‘অটিজ়ম একটা নিউরোডেভেলপমেন্টাল কন্ডিশন। বিশেষ স্নায়বিক পরিস্থিতি। মানুষ যখন ভ্রূণের পর্যায়ে থাকে, সেই সময় থেকেই ক্রোমোজ়োমে কিছু পরিবর্তন শুরু হয়। বেশ কিছু জিন এর জন্য দায়ী। অটিজ়মের ক্ষেত্রে সামাজিক ভাষার বিকাশ নানা ভাবে ব্যাহত হয়। সেই কারণে অটিজ়মে আক্রান্ত শিশুদের জন্য মাঝে মধ্যে পরিপার্শ্ব নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে। আমার বাবা কে, মা কী করছে, আমি কোথায় বসে আছি, এমনই ছোট ছোট বিষয় বুঝতে সমস্যা হতে পারে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে ধীরে ধীরে বিকাশ লক্ষ করা যায়।’’
তাই কুকুরেয়াও ছেলের সুবিধার জন্য নিজের চুলে বদল আনেন না। যাতে বাবাকে চিনতে কষ্ট না হয় মাতেয়োর। চুল বেঁধে নিলে হয়তো কুকুরেয়ার সুবিধা হবে, কিন্তু ছেলে যেন মাঝমাঠেও বাবাকে চিহ্নিত করতে পারে। মনোবিদের বক্তব্য, বাবা কোথায় খেলছেন, একই রঙের জার্সি কারা পরে রয়েছে্ন, এই ধরনের বোঝপড়ায় যদি কুকুরেয়ার মতো বাবা-মায়েরা সাহায্য করেন, তা হলে চারপাশের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সুবিধা হয় সন্তানের।
ক্লকুকুরেয়ার সঙ্গী ক্লডিয়া জানিয়েছিলেন, প্রথম দিকে তাঁরা বুঝতেই পারছিলেন না, কী ভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন। স্কুল, থেরাপি, প্রতিদিনের রুটিন— সব কিছুই নতুন করে সাজাতে হয়েছিল। এমনকি পরিবারের বেড়ানো বা পরিকল্পনাও অনেক সময়ে ছেলের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলাতে হয়েছে। নিজের সন্তানের অটিজ়ম নিয়ে খোলাখুলি কথা বলে কুকুরেয়া বহু পরিবারের কাছে সাহসের নজির হয়ে উঠেছেন। অটিজ়ম কোনও রোগ নয়, এটি স্নায়বিক বিকাশের একটি ভিন্ন ধরন। সময় মতো মূল্যায়ন, উপযুক্ত সাহায্য, থেরাপি এবং পরিবারের ধৈর্য ও ভালবাসা থাকলে অটিজ়মে আক্রান্ত শিশুরাও নিজেদের মতো করে বড় হতে পারে।
কুকুরেয়ার বড় ছেলে মাতেয়োর অটিজ়ম ধরা পড়ে শৈশবে। সাত বছর বয়স এখন তার। কুকুরেয়া এবং তাঁর সঙ্গী ক্লডিয়া রড্রিগেজ় আগেই প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, তাঁদের বড় ছেলে মাতেয়ো অটিজ়মে আক্রান্ত। ছেলের এই অবস্থা জানার পর গোটা পরিবারের জীবনই বদলে যায়। নতুন সেই বাস্তবকে মেনে নিতে হয় কুকুরেয়াদের। ছেলের প্রয়োজন বোঝা, উপযুক্ত চিকিৎসা করানো ও সাহায্যের ব্যবস্থা করা— সবই ছিল তাঁদের কাছে এক নতুন শেখার পথ। এই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে একাধিক বার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তেও দেখা গিয়েছে কুকুরেয়াকে।
সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দাবি, মার্ক নাকি মাঠে চুল খুলে রাখেন ছেলের জন্য। যাতে দর্শকাসনে বসেও ছেলে তাঁকে দেখতে পায়, তাঁর খেলা উপভোগ করতে পারে। মনোবিদ আত্রেয়ী ভট্টাচার্য বলছেন, ‘‘অটিজ়ম একটা নিউরোডেভেলপমেন্টাল কন্ডিশন। বিশেষ স্নায়বিক পরিস্থিতি। মানুষ যখন ভ্রূণের পর্যায়ে থাকে, সেই সময় থেকেই ক্রোমোজ়োমে কিছু পরিবর্তন শুরু হয়। বেশ কিছু জিন এর জন্য দায়ী। অটিজ়মের ক্ষেত্রে সামাজিক ভাষার বিকাশ নানা ভাবে ব্যাহত হয়। সেই কারণে অটিজ়মে আক্রান্ত শিশুদের জন্য মাঝে মধ্যে পরিপার্শ্ব নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হতে পারে। আমার বাবা কে, মা কী করছে, আমি কোথায় বসে আছি, এমনই ছোট ছোট বিষয় বুঝতে সমস্যা হতে পারে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে ধীরে ধীরে বিকাশ লক্ষ করা যায়।’’
তাই কুকুরেয়াও ছেলের সুবিধার জন্য নিজের চুলে বদল আনেন না। যাতে বাবাকে চিনতে কষ্ট না হয় মাতেয়োর। চুল বেঁধে নিলে হয়তো কুকুরেয়ার সুবিধা হবে, কিন্তু ছেলে যেন মাঝমাঠেও বাবাকে চিহ্নিত করতে পারে। মনোবিদের বক্তব্য, বাবা কোথায় খেলছেন, একই রঙের জার্সি কারা পরে রয়েছে্ন, এই ধরনের বোঝপড়ায় যদি কুকুরেয়ার মতো বাবা-মায়েরা সাহায্য করেন, তা হলে চারপাশের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে সুবিধা হয় সন্তানের।
ক্লকুকুরেয়ার সঙ্গী ক্লডিয়া জানিয়েছিলেন, প্রথম দিকে তাঁরা বুঝতেই পারছিলেন না, কী ভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন। স্কুল, থেরাপি, প্রতিদিনের রুটিন— সব কিছুই নতুন করে সাজাতে হয়েছিল। এমনকি পরিবারের বেড়ানো বা পরিকল্পনাও অনেক সময়ে ছেলের প্রয়োজন অনুযায়ী বদলাতে হয়েছে। নিজের সন্তানের অটিজ়ম নিয়ে খোলাখুলি কথা বলে কুকুরেয়া বহু পরিবারের কাছে সাহসের নজির হয়ে উঠেছেন। অটিজ়ম কোনও রোগ নয়, এটি স্নায়বিক বিকাশের একটি ভিন্ন ধরন। সময় মতো মূল্যায়ন, উপযুক্ত সাহায্য, থেরাপি এবং পরিবারের ধৈর্য ও ভালবাসা থাকলে অটিজ়মে আক্রান্ত শিশুরাও নিজেদের মতো করে বড় হতে পারে।