টানা বর্ষণের জেরে ফের বড় দুর্ঘটনা হিমাচল প্রদেশে। লাহুল-স্পিতি জেলার উদয়পুর-কিলার সড়কে ভয়াবহ ভূমিধসে পাথরের নীচে চাপা পড়ে গেল একটি টাটা সুমো। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ১৩ জনের। আহত হয়েছেন আরও দু'জন। মৃত ও আহতরা সকলেই ছাম্বা জেলার বাসিন্দা বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
শুক্রবার সকালে কাদু নাল্লার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে প্রবল বৃষ্টির জেরে ওই রাস্তায় ধস নামায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে যাত্রীরা টিন্ডি গ্রামে রাত কাটান। শুক্রবার রাস্তা আংশিকভাবে খুলে দিলে তাঁরা ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু কাদু নাল্লা এলাকায় পৌঁছতেই পাহাড়ের উপর থেকে আচমকা বিশাল পাথর গড়িয়ে এসে টাটা সুমোটিকে সম্পূর্ণ চাপা দেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর গাড়িটি থেকে ১৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়। আহত দু'জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ভরমৌরের বিজেপি বিধায়ক জনক রাজ জানিয়েছেন, দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালানোর জন্য চম্বা এবং লাহুল-স্পিতির জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল মোতায়েন রয়েছে।
এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে টানা বর্ষণকেই দায়ী করা হচ্ছে। রাজ্যের স্টেট এমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টারের (SEOC) তথ্য অনুযায়ী, প্রবল বৃষ্টির কারণে এখনও পর্যন্ত হিমাচল প্রদেশে ১৩০টিরও বেশি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ৬৪টি বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মান্ডি জেলা, যেখানে ৫০টি রাস্তা বন্ধ। এছাড়া সিরমৌরে ২৩টি, শিমলায় ২০টি, ছাম্বায় ১৮টি, কুলুতে ১২টি, কাংড়ায় ৬টি, লাহুল-স্পিতিতে ৫টি এবং বিলাসপুর ও উনায় একটি করে রাস্তা প্রায় বন্ধ।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী আরও কয়েক দিন হিমাচল প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৪ থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা এবং ২৭ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত কমলা সতর্কতা জারি থাকছে। সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় সিমলা, মান্ডি এবং ধর্মশালার পুর এলাকায় বিশেষ প্রস্তুতি মহড়া চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
শুক্রবার সকালে কাদু নাল্লার কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে প্রবল বৃষ্টির জেরে ওই রাস্তায় ধস নামায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে যাত্রীরা টিন্ডি গ্রামে রাত কাটান। শুক্রবার রাস্তা আংশিকভাবে খুলে দিলে তাঁরা ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু কাদু নাল্লা এলাকায় পৌঁছতেই পাহাড়ের উপর থেকে আচমকা বিশাল পাথর গড়িয়ে এসে টাটা সুমোটিকে সম্পূর্ণ চাপা দেয়।
খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর গাড়িটি থেকে ১৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়। আহত দু'জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ভরমৌরের বিজেপি বিধায়ক জনক রাজ জানিয়েছেন, দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালানোর জন্য চম্বা এবং লাহুল-স্পিতির জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল মোতায়েন রয়েছে।
এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে টানা বর্ষণকেই দায়ী করা হচ্ছে। রাজ্যের স্টেট এমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টারের (SEOC) তথ্য অনুযায়ী, প্রবল বৃষ্টির কারণে এখনও পর্যন্ত হিমাচল প্রদেশে ১৩০টিরও বেশি রাস্তা বন্ধ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ৬৪টি বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মান্ডি জেলা, যেখানে ৫০টি রাস্তা বন্ধ। এছাড়া সিরমৌরে ২৩টি, শিমলায় ২০টি, ছাম্বায় ১৮টি, কুলুতে ১২টি, কাংড়ায় ৬টি, লাহুল-স্পিতিতে ৫টি এবং বিলাসপুর ও উনায় একটি করে রাস্তা প্রায় বন্ধ।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী আরও কয়েক দিন হিমাচল প্রদেশে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৪ থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা এবং ২৭ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত কমলা সতর্কতা জারি থাকছে। সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় সিমলা, মান্ডি এবং ধর্মশালার পুর এলাকায় বিশেষ প্রস্তুতি মহড়া চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।