রাজশাহীতে চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও শিরোইল কলোনী বড় জামে মসজিদের সাবেক খাদেম মোঃ মুরাদ কাদেরী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুরাদ কাদেরী অভিযোগ করেন, তিনি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন সূরা তেলাওয়াত করে এলাকার মানুষের অনুরোধে তেলপড়া ও পানিপড়া দেন| এ জন্য কেউ স্বেচ্ছায় ২০ থেকে ৫০ টাকা দিলে তিনি তা গ্রহণ করেন।
তার অভিযোগ, গত ২১ জুলাই রাত ৮টার দিকে লাইক নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি নাজমুল, আলফাজসহ কয়েকজনকে নিয়ে তার বাড়িতে যান। সেখানে গোপনে ভিডিও ধারণের পর সেটি দেখিয়ে তাকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে তাকে ভণ্ড কবিরাজ আখ্যা দিয়ে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
মুরাদ কাদেরী আরও বলেন, পরদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা এলাকায় আবার গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়| এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে তার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং চন্দ্রিমা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়| জিডিতে তাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করার অভিযোগ আনা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মিথ্যা জিডির মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদা দাবির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মিথ্যা জিডি প্রত্যাহারের জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, সম্প্রতি রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত তানজিমুল ইসলাম লাইক এর মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি মুরাদ কাদেরীর কাছে কোন টাকা চায়নি। লাইকের উপর হামলার থানায় অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লাইক বলেন, আমি ৩/৪জন মিলে চা পান করছিলাম| হটাৎ আমাকে বাঁশের লাঠি হাতে বেশ কয়েকজন তাড়া করে। আমি দৌড়ে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। পরে মোঃ মুরাদ কাদেরীকে বিবাদী করে চন্দ্রিমা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুরাদ কাদেরী অভিযোগ করেন, তিনি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন সূরা তেলাওয়াত করে এলাকার মানুষের অনুরোধে তেলপড়া ও পানিপড়া দেন| এ জন্য কেউ স্বেচ্ছায় ২০ থেকে ৫০ টাকা দিলে তিনি তা গ্রহণ করেন।
তার অভিযোগ, গত ২১ জুলাই রাত ৮টার দিকে লাইক নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি নাজমুল, আলফাজসহ কয়েকজনকে নিয়ে তার বাড়িতে যান। সেখানে গোপনে ভিডিও ধারণের পর সেটি দেখিয়ে তাকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে তাকে ভণ্ড কবিরাজ আখ্যা দিয়ে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
মুরাদ কাদেরী আরও বলেন, পরদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা এলাকায় আবার গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়| এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে তার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং চন্দ্রিমা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়| জিডিতে তাকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করার অভিযোগ আনা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মিথ্যা জিডির মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদা দাবির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মিথ্যা জিডি প্রত্যাহারের জন্য রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, সম্প্রতি রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত তানজিমুল ইসলাম লাইক এর মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি মুরাদ কাদেরীর কাছে কোন টাকা চায়নি। লাইকের উপর হামলার থানায় অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে লাইক বলেন, আমি ৩/৪জন মিলে চা পান করছিলাম| হটাৎ আমাকে বাঁশের লাঠি হাতে বেশ কয়েকজন তাড়া করে। আমি দৌড়ে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। পরে মোঃ মুরাদ কাদেরীকে বিবাদী করে চন্দ্রিমা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।