চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মেহরাজ মাহমুদ জুম্মান (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৪ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুর–লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহরাজ মাহমুদ জুম্মান এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। তিনি উপজেলার জুম্মান বড়ালী গ্রামের আহসান দেওয়ানের ছোট ছেলে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোটরসাইকেলের অপর আরোহী তাহসীন (১৬) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী লিলু বেগম। আহত চারজনই গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অটোরিকশার আহত যাত্রী লিলু বেগম জানান, আমরা অটোরিকশাযোগে ফরিদগঞ্জ সদরের দিকে যাচ্ছিলাম। বড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের সঙ্গে আমাদের গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আমরা নিচে পড়ে গিয়ে আহত হই এবং মোটরসাইকেল চালক মেহরাজ ঘটনাস্থলেই মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে এসে দুর্ঘটনাস্থল থেকে মোট ৫ জনকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহরাজকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা আনোয়ার হোসেন বলেন, জুম্মান খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তাকে নিয়ে পরিবারের কত শত স্বপ্ন ছিল। কিন্তু একটি নিমিষের সড়ক দুর্ঘটনা সব স্বপ্ন চিরতরে নিভিয়ে দিল।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ৫ জন এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ১ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। বাকি ৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আল আমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুর–লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহরাজ মাহমুদ জুম্মান এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। তিনি উপজেলার জুম্মান বড়ালী গ্রামের আহসান দেওয়ানের ছোট ছেলে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোটরসাইকেলের অপর আরোহী তাহসীন (১৬) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী লিলু বেগম। আহত চারজনই গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অটোরিকশার আহত যাত্রী লিলু বেগম জানান, আমরা অটোরিকশাযোগে ফরিদগঞ্জ সদরের দিকে যাচ্ছিলাম। বড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের সঙ্গে আমাদের গাড়িটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে আমরা নিচে পড়ে গিয়ে আহত হই এবং মোটরসাইকেল চালক মেহরাজ ঘটনাস্থলেই মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মারা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম জানান, ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে এসে দুর্ঘটনাস্থল থেকে মোট ৫ জনকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহরাজকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা আনোয়ার হোসেন বলেন, জুম্মান খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। তাকে নিয়ে পরিবারের কত শত স্বপ্ন ছিল। কিন্তু একটি নিমিষের সড়ক দুর্ঘটনা সব স্বপ্ন চিরতরে নিভিয়ে দিল।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ৫ জন এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ১ জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়। বাকি ৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আল আমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।