ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে টানা ১১তম দিনের মতো ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় ৭টার দিকে দেশটির বুশেহর অঞ্চলের একটি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
বুশেহরের উপ-গভর্নরের বরাতে ফার্স নিউজ জানায়, এদিন একই এলাকায় দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে প্রথম দফায় হামলা চালানো হয়েছিল।
এরপর খুজেস্তান প্রদেশের আন্দিমেস্ক শহরের উপকণ্ঠেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ খুজেস্তানের উপ-গভর্নরের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, এর আগে ইরাক-ইরান সীমান্তের সালামচেহ সীমান্ত ক্রসিংয়েও মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটে। সীমান্ত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই হামলায় দুজন নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, হামলার পরও সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং সীমান্ত ক্রসিংটি খোলা রাখা হয়েছে।
তবে এসব হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। হামলায় সামরিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইরানি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল প্রায় ৭টার দিকে দেশটির বুশেহর অঞ্চলের একটি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
বুশেহরের উপ-গভর্নরের বরাতে ফার্স নিউজ জানায়, এদিন একই এলাকায় দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে প্রথম দফায় হামলা চালানো হয়েছিল।
এরপর খুজেস্তান প্রদেশের আন্দিমেস্ক শহরের উপকণ্ঠেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ খুজেস্তানের উপ-গভর্নরের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অন্যদিকে, এর আগে ইরাক-ইরান সীমান্তের সালামচেহ সীমান্ত ক্রসিংয়েও মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটে। সীমান্ত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই হামলায় দুজন নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, হামলার পরও সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং সীমান্ত ক্রসিংটি খোলা রাখা হয়েছে।
তবে এসব হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। হামলায় সামরিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।