ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে আবারও ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ থাকবে।
ডিএমআরসির তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো, লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোরবাগ ও শিবাজি স্টেডিয়াম।
জন্তর মন্তর এলাকায় গত দুই মাস ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবারও একই ১৬টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে প্রায় আট ঘণ্টা পর সেগুলো পুনরায় চালু করা হলেও বৃহস্পতিবার সকালে আবারও বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ডিএমআরসি জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্টেশনে ট্রেন থামবে না এবং যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগও বন্ধ থাকবে।
এদিকে, স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক জানিয়েছে, বিকল্প পরিবহনের জন্য অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় বাসের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। অনেকে আবার অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি বা ক্যাব ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
বিক্ষোভস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকায় দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকা মেট্রো স্টেশনগুলো চালু হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
ডিএমআরসির তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো হলো, লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোরবাগ ও শিবাজি স্টেডিয়াম।
জন্তর মন্তর এলাকায় গত দুই মাস ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন চলছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবারও একই ১৬টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে প্রায় আট ঘণ্টা পর সেগুলো পুনরায় চালু করা হলেও বৃহস্পতিবার সকালে আবারও বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ডিএমআরসি জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্টেশনে ট্রেন থামবে না এবং যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগও বন্ধ থাকবে।
এদিকে, স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক জানিয়েছে, বিকল্প পরিবহনের জন্য অনেক যাত্রীকে দীর্ঘ সময় বাসের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। অনেকে আবার অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি বা ক্যাব ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।
বিক্ষোভস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকায় দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকা মেট্রো স্টেশনগুলো চালু হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।