বগুড়ায় বিয়ের আশ্বাসে বিধবাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ

আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৬ ০৮:০০:০৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৬ ০৮:০০:০৭ অপরাহ্ন
বগুড়ার সোনাতলায় এক বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নারী মঙ্গলবার এ ব্যাপারে তিনজনের বিরুদ্ধে বগুড়ার প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।

বিচারক আনোয়ারুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মামলাটি গ্রহণ করতে সোনাতলা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী নাহিদ পারভেজ জনি এ তথ্য দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সাতবেকী গ্রামের সাজ্জাদ বেপারীর ছেলে সাদিক বেপারী (২৫), একই গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে ঋাতু মিয়া (২৩) এবং উপজেলার হাঁসরাজ গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে হিরু মিয়া (৩০)।

বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, প্রায় ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়। তার সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৩ মে স্বামী হৃদরোগে মারা যান। এরপর তিনি দুই সন্তান নিয়ে বগুড়া সদরে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। সোনাতলায় বোনের বাড়িতে যাতায়াতের সময় প্রধান আসামি সাদিক বেপারী তাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দেন। প্রথমে তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলেও পরে মোবাইল ফোন ও ইমো অ্যাপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ করেন। একপর্যায়ে সাদিক তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করেছেন, ১৬ জুলাই সাদিক বেপারী তাকে ফোন করে সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া বাসস্ট্যান্ডে যেতে বলেন। সেদিনই তাকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। সেখানে যাওয়ার পর অপর দুই আসামি ঋাতু মিয়া ও হিরু মিয়াসহ একটি সিএনজিচালিত রিকশায় তাকে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। পরে কাজী আনার কথা বলে তাকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

গভীর রাতে কাজী না এলে আসামি ঋাতু ও হিরু চলে যান। এরপর সাদিক বেপারী তাকে ধারাল অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে যান। তখন অন্য আসামিরা প্রধান আসামি সাদিক বেপারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

পরে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনাটি পুলিশ কেস হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে (ভিকটিম) সোনাতলা থাকায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ ব্যাপারে থানায় গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। বাধ্য হয়ে তিনি বগুড়ার প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী নাহিদ পারভেজ জনি জানান, আদালত মঙ্গলবার শুনানি শেষে মামলাটি গ্রহণ করতে সোনাতলা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার বিকালে সোনাতলা থানার ওসি কবির হোসেন জানান, আদালতের কোনো নির্দেশনা হাতে পাননি। পেলে মামলাটি রেকর্ড করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]