চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় অসামাজিক কার্যকলাপ ও পরকীয়ার অভিযোগে এক যুবলীগ নেত্রী ও তার ‘কথিত প্রেমিক’কে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাবারড্যাম ডলু আড়ালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির মহিলা সদস্য রাশু বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রী। তার সঙ্গে আটক হন একই ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া নাজিরখিল এলাকার মো. হাসেম (৪৫)।
জানা গেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে হাসেম রাশু বেগমের বাড়িতে গেলে বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা। পরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে দুজনকে আটক করে ভূজপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ভূজপুর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক একরাম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোহেল মুন্সি বলেন, রাশু বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তা আমলে নেননি। সর্বশেষ একই ধরনের ঘটনার অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১টার দিকে উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাবারড্যাম ডলু আড়ালিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির মহিলা সদস্য রাশু বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রী। তার সঙ্গে আটক হন একই ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া নাজিরখিল এলাকার মো. হাসেম (৪৫)।
জানা গেছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতে হাসেম রাশু বেগমের বাড়িতে গেলে বিষয়টি জানতে পারেন স্থানীয়রা। পরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে দুজনকে আটক করে ভূজপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ভূজপুর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক একরাম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানাই।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সোহেল মুন্সি বলেন, রাশু বেগমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি তা আমলে নেননি। সর্বশেষ একই ধরনের ঘটনার অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।