রাজশাহীর তানোরে পুরোদমে শুরু হয়েছে বৃষ্টি নির্ভর রোপা-আমনের চাষ। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে মাঠে মাঠে পানি জমেছে,সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে আমন ধান রোপণের কাজ। আমণ রোপণ ঘিরে গ্রামীণ জনপদে বইছে এক উৎসবের আবহ। কৃষাণ-কৃষাণীরা দল বেঁধে নেমে পড়েছেন জমিতে। বৃষ্টির পানিতে ভেজা কাদা-মাখা মাঠ যেনো কৃষকের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। চলছে জমি তৈরি, চারা উত্তোলন ও রোপণের কাজ। চাষিদের কোলাহলে মুখরিত মাঠের পর মাঠ। বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন ও জমি পরিষ্কারের কাজে পুরুষদের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছেন ক্ষুদ্রনৃ-গোষ্ঠী নারীরাও।
বুধবার (২২জুলাই) সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ জানিয়েছেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ঠিকমতো কৃষকরা রোপা আমন চাষবাদ করতে পারলে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে।
উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেটা অর্জনে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কাজ করে যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বর্তমান সময়ের মতো অব্যাহত থাকলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত জমিতে রোপা আমনের চাষাবাদ হবার সম্ভবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবার আমন চাষের পাশাপাশি ৬ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধান রোপণ সম্পূর্ণ করেছেন কৃষকরা।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে,মাঠে মাঠে আগাছা পরিষ্কার,জমি প্রস্তত বীজতলা থেকে ধানের চারা উৎপাদন ও জমিতে চারা রোপণে ব্যাস্ত শত শত কৃষক। কেউ কেউ জৈবসার জমিতে দিতে ব্যস্ত আবার অনেকে জমি তৈরি করছেন। এখন চাষিরা জমি প্রস্তত চাষাবাদ এবং ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় কাটছে। এভাবেই ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফসলের মাঠে নিরলসভাবে কাজ করছেন তারা।
উপজলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) পাড়িশো গ্রামের আমন চাষি জাহিদ আক্তার বলেন, তিনি এ বছর ৩০ বিঘা জমিতে রোপা আমন চাষাবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে সাত বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করেছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে শীঘ্রই বাকি জমিতে ধান রোপন করা হবে। কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) আমন চাষি রায়হান, সেকেন্দার, জিয়াউর রহমান জানান,বর্তমানে যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতেই মাঠে আমন ধানের চেহারায় পরিবর্তন আসবে। যারা এখনও ধানের চারা রোপণ করেনি তাদের জন্যেও চারা রোপণের আবহাওয়া এখন অনুকূলে রয়েছে। আমন চাষি সহিদুল ইসলাম বলেন, সারের ও কিটনাশক দাম দিন দিন বেড়েই চলছে, আবার শ্রমিক খরচও অনেক বেশি এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এনজিওর ঋণ নিয়ে ধান চাষে নেমেছি ভালো ফলন না পেলে মাঠে মারা যাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, এ উপজেলার কৃষকদের রোপা আমন ধান চাষে আগ্রহ রয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকরা বর্তমানে পুরোদমে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া বর্তমানে অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে আমরা আশা করছি ঠিকঠাক মতো রোপা আমন আবাদ শেষ হবে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের চাষাবাদ হবে। প্রন্তিক কৃষকদের পাশে বিভিন্ন পরামর্শ সহ যেকোনো সেবায় নিয়োজিত আছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, এরই মধ্যে উপজেলায় প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে রোপা আমন ধান লাগানো শেষ হয়েছে। বাকি জমিগুলোতে রোপা আমন আবাদের প্রস্ততি চলছে জোরেশোরে। রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও চারা বীজের সংকট না থাকায় কৃষক রোপা আমন ধান আবাদে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
বুধবার (২২জুলাই) সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ জানিয়েছেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ঠিকমতো কৃষকরা রোপা আমন চাষবাদ করতে পারলে অতিরিক্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন হবে।
উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেটা অর্জনে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কাজ করে যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বর্তমান সময়ের মতো অব্যাহত থাকলে লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত জমিতে রোপা আমনের চাষাবাদ হবার সম্ভবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, এবার আমন চাষের পাশাপাশি ৬ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধান রোপণ সম্পূর্ণ করেছেন কৃষকরা।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে,মাঠে মাঠে আগাছা পরিষ্কার,জমি প্রস্তত বীজতলা থেকে ধানের চারা উৎপাদন ও জমিতে চারা রোপণে ব্যাস্ত শত শত কৃষক। কেউ কেউ জৈবসার জমিতে দিতে ব্যস্ত আবার অনেকে জমি তৈরি করছেন। এখন চাষিরা জমি প্রস্তত চাষাবাদ এবং ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় কাটছে। এভাবেই ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত ফসলের মাঠে নিরলসভাবে কাজ করছেন তারা।
উপজলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) পাড়িশো গ্রামের আমন চাষি জাহিদ আক্তার বলেন, তিনি এ বছর ৩০ বিঘা জমিতে রোপা আমন চাষাবাদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে সাত বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করেছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে শীঘ্রই বাকি জমিতে ধান রোপন করা হবে। কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) আমন চাষি রায়হান, সেকেন্দার, জিয়াউর রহমান জানান,বর্তমানে যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তাতেই মাঠে আমন ধানের চেহারায় পরিবর্তন আসবে। যারা এখনও ধানের চারা রোপণ করেনি তাদের জন্যেও চারা রোপণের আবহাওয়া এখন অনুকূলে রয়েছে। আমন চাষি সহিদুল ইসলাম বলেন, সারের ও কিটনাশক দাম দিন দিন বেড়েই চলছে, আবার শ্রমিক খরচও অনেক বেশি এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এনজিওর ঋণ নিয়ে ধান চাষে নেমেছি ভালো ফলন না পেলে মাঠে মারা যাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, এ উপজেলার কৃষকদের রোপা আমন ধান চাষে আগ্রহ রয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকরা বর্তমানে পুরোদমে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া বর্তমানে অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে আমরা আশা করছি ঠিকঠাক মতো রোপা আমন আবাদ শেষ হবে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের চাষাবাদ হবে। প্রন্তিক কৃষকদের পাশে বিভিন্ন পরামর্শ সহ যেকোনো সেবায় নিয়োজিত আছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, এরই মধ্যে উপজেলায় প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে রোপা আমন ধান লাগানো শেষ হয়েছে। বাকি জমিগুলোতে রোপা আমন আবাদের প্রস্ততি চলছে জোরেশোরে। রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও চারা বীজের সংকট না থাকায় কৃষক রোপা আমন ধান আবাদে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।