“বাল্য বিবাহ বন্ধ করি, শিশুদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ, গড়ি এই স্লোগানকে সামনে রেখে তানোর উপজেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১জুলাই) ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর সহযোগীতায় ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই ঘোষণা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খানে সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ডিরেক্টর-অপারেশনস ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ চন্দন জেড গোমেজ, ডেপুটি ডিরেক্টর, ফিল্ড অপারেশনস নর্দান বাংলাদেশ ক্লাষ্টার ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজু উইলিয়াম রোজারিও, সিনিয়র ম্যানেজার, রাজশাহী এডিপিসিও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ লোটাস চিসিম,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন, পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন,সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন,তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ডিএম আক্কাশ, সভাপতি চ্যাট কমিটি শরীফুল ইসলাম, মুন্ডুমালা ক্যাথলিক চার্চ ফাদার বার্নাড টুডু,পুরোহিত নিলয় বৈস্বামী, কামরুল হাসান, নিলয় বৈস্বামী ও দিলীপ টুডুপ্রমুখ। এছাড়াও ইমাম, কাজীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুসারে ছেলেদের নুন্যতম ২১ বছর এবং মেয়েদের বয়স ১৮ বছর হওয়া বাধ্যতামুলক বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু দারিদ্রতা, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে এ আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্য বিবাহ হয়ে আসছিল। তাই সরকারের পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও তানোর এরিয়া প্রোগ্রাম, সুশীলন ও উত্তরণের উদ্যোগে ২০২৩ সাল থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ শুরু হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ৭টি ইউনিয়নে জরিপ করে এসব এলাকায় পরিবার মনিটরিং, পরিদর্শন ও মেসেজ শেয়ারিং করা হয়। যেখানে বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে কিশোর-কিশোরীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব কিশোর-কিশোরী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, ইয়ুথ ফোরাম, চাইন্ড ফোরাম, ভিডিসি, কাজী ও ইমাম, বিভিন্ন পেশাজীবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
এছাড়াও ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠনের মাধ্যেমে এলাকার জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক, সভা, কর্মশালা, ক্যাম্পেন, পট গান ও নাটক প্রদর্শন সহ বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১জুলাই) ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর সহযোগীতায় ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই ঘোষণা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খানে সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ডিরেক্টর-অপারেশনস ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ চন্দন জেড গোমেজ, ডেপুটি ডিরেক্টর, ফিল্ড অপারেশনস নর্দান বাংলাদেশ ক্লাষ্টার ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজু উইলিয়াম রোজারিও, সিনিয়র ম্যানেজার, রাজশাহী এডিপিসিও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ লোটাস চিসিম,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন, পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন,সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন,তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ডিএম আক্কাশ, সভাপতি চ্যাট কমিটি শরীফুল ইসলাম, মুন্ডুমালা ক্যাথলিক চার্চ ফাদার বার্নাড টুডু,পুরোহিত নিলয় বৈস্বামী, কামরুল হাসান, নিলয় বৈস্বামী ও দিলীপ টুডুপ্রমুখ। এছাড়াও ইমাম, কাজীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুসারে ছেলেদের নুন্যতম ২১ বছর এবং মেয়েদের বয়স ১৮ বছর হওয়া বাধ্যতামুলক বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু দারিদ্রতা, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক কুসংস্কারের কারণে এ আইনের তোয়াক্কা না করে বাল্য বিবাহ হয়ে আসছিল। তাই সরকারের পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও তানোর এরিয়া প্রোগ্রাম, সুশীলন ও উত্তরণের উদ্যোগে ২০২৩ সাল থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ শুরু হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ৭টি ইউনিয়নে জরিপ করে এসব এলাকায় পরিবার মনিটরিং, পরিদর্শন ও মেসেজ শেয়ারিং করা হয়। যেখানে বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে কিশোর-কিশোরীদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব কিশোর-কিশোরী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, ইয়ুথ ফোরাম, চাইন্ড ফোরাম, ভিডিসি, কাজী ও ইমাম, বিভিন্ন পেশাজীবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।
এছাড়াও ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠনের মাধ্যেমে এলাকার জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক, সভা, কর্মশালা, ক্যাম্পেন, পট গান ও নাটক প্রদর্শন সহ বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।