‘শরীরের বিভিন্ন অংশ বড় করতে বলা হয়েছিল’, নিজের চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাস ছিল না সমীরার?

আপলোড সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ০৮:২২:৪৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৭-২০২৬ ০৮:২২:৪৭ অপরাহ্ন
চলতি বছরের শুরুতে প্রায় ১৪ বছর পর হিন্দি ছবিতে ফিরেছেন সমীরা রেড্ডী। রাজনৈতিক ছবি ‘আখরি সওয়াল’-এ সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে দেখা যায় তাঁকে। ‘ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া’ ছবি থেকে অভিনয়ের সফর শুরু করেছিলেন। সম্প্রতি সমীরা জানিয়েছেন, কর্মজীবনের শুরুতে গায়ের রং নিয়ে তাঁকে বৈষম্যের মুখে পড়তে হয়েছিল।

সমীরা বলেন, “আমার প্রথম ছবি ‘ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া’-তে আমার গায়ের রং ফর্সা করা হয়েছিল প্রসাধনীর মাধ্যমে। পর্দায় আমাকে প্রায় ধূসর রঙের দেখতে লাগছিল। মুখের রঙের সঙ্গে শরীরের রং মিলিয়ে দেখানোর জন্য সারা শরীরে প্রসাধনী লাগাতে হত।”

অভিনেত্রীর প্রশ্ন, “শুধু ছবিতেই নয়, অনেক মহিলাই নিজের বাড়িতেও এই ধরনের বৈষম্যের মুখে পড়েন। বাবা-মা বা শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলেন, ‘তুমি খুব কালো’ বা ‘তুমি মোটা’। কিন্তু সৌন্দর্যের সংজ্ঞা ঠিক করে দিয়েছে কে?” সমীরা জানান, নিজের চেহারা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে তাঁর দু’দশকেরও বেশি সময় লেগেছে।

শুধু গায়ের রং নয়, নিজের চেহারার গড়ন নিয়েও দীর্ঘ দিন অস্বস্তিতে ভুগেছেন সমীরা। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি কে, আমাকে কী ভাবে নিজেকে তুলে ধরতে হবে, এ সব নিয়ে খুব বিভ্রান্ত ছিলাম। ৪০ বছর পেরোনোর পরেই আমি এই মানসিকতা থেকে বেরোতে পেরেছি। প্রায় ২০ বছর ধরে আমি প্যাড দেওয়া ব্রা, নিতম্ব বড় দেখানোর প্যাড আর রঙিন কনট্যাক্ট লেন্স পরে থেকেছি।”

ছোটবেলা থেকেই ভারী চেহারা ছিল সমীরার। কিন্তু ওজন কমিয়েও স্বস্তি পাননি অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “তখন বলা হল, ‘তোমার নিতম্ব খুব ছোট হয়ে গিয়েছে।’ এখন এ সব শুনে হাসি পায়। ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আমি ভেবেই গিয়েছি, আমি খুব ফর্সা নই, আমার চোখ হালকা রঙের নয়। আমি খুব লম্বাও নই। নায়ক খাটো হওয়ায় আমাকেও কুঁজো হয়ে হাঁটতে বলা হত। এখন আমি বুঝি, এগুলো সমস্যাই নয়। কিন্তু তখন এ সব নিয়েই আমার মধ্যে হীনম্মন্যতা তৈরি করা হত।”

সমীরা জানান, মহিলা পরিচালকেরাও তাঁর শরীর নিয়ে কটাক্ষ করতেন। তিনি বলেন, “পোশাকশিল্পীরাও প্রথম থেকেই বলতেন, আমার চেহারা নিয়ে কিছু করতে হবে। তাই আমার প্রায় সব পোশাকের জন্যই প্যাড-সহ ব্রা বানানো থাকত। আমার কাছে এখনও নানা ধরনের প্যাডের বড় সংগ্রহ আছে। আমাকে বারবার বলা হত, ‘আর কত প্যাড ব্যবহার করবে সমীরা? এ বার কিছু একটা করো’।”

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]