রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে বাঙালি জাতির যদি কোনো শ্রেষ্ঠ অর্জনের কথা আমরা বলি, তবে এই জুলাই আন্দোলন হচ্ছে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন । এ আন্দোলন জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল দশটায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাঙালি জাতির বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও ঐতিহাসিক অর্জনে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রসমাজ যখন কোনো ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়, তখন সাধারণ মানুষ তাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনও সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
তিনি জুলাই আন্দোলনকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতি দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নীতিগত ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আদর্শগত মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বজলুর রশীদ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকারের নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রশাসন ও রাজনীতির নিজ নিজ ক্ষেত্র পৃথক থাকলে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট অপরাধের দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এ লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা আদালত গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত হলে জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশেও পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহিদ পরিবারের শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
সভায় তিনি জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই শহিদ শাকিব আনজুমের পিতা মো. মাইনুল হক তাঁর শহিদ সন্তানের স্মৃতি চারণ করেন।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খায়রুল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, মহানগর বিএনপি’র সহসভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, জামাতে ইসলামের নায়েবে আমীর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর, রাজশাহী বারের অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু, এনসিপি রাজশাহীর প্রতিনীধি মোবাশের আলী, গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের আহ্বায়ক মাহবুব সিদ্দিকী প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অন্যান্যের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল নয়টায় নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, জুলাই যোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জুলাই শহিদদের গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল দশটায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বাঙালি জাতির বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও ঐতিহাসিক অর্জনে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রসমাজ যখন কোনো ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়, তখন সাধারণ মানুষ তাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনও সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
তিনি জুলাই আন্দোলনকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতি দেশের বৃহত্তর স্বার্থে নীতিগত ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আদর্শগত মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বজলুর রশীদ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকারের নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রশাসন ও রাজনীতির নিজ নিজ ক্ষেত্র পৃথক থাকলে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি জুলাই আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট অপরাধের দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এ লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা আদালত গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত হলে জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশেও পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহিদ পরিবারের শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
সভায় তিনি জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই শহিদ শাকিব আনজুমের পিতা মো. মাইনুল হক তাঁর শহিদ সন্তানের স্মৃতি চারণ করেন।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খায়রুল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, মহানগর বিএনপি’র সহসভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, জামাতে ইসলামের নায়েবে আমীর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর, রাজশাহী বারের অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু, এনসিপি রাজশাহীর প্রতিনীধি মোবাশের আলী, গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনের আহ্বায়ক মাহবুব সিদ্দিকী প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অন্যান্যের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল নয়টায় নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, জুলাই যোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জুলাই শহিদদের গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করেন।