গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ১৭১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৫২ শিশু। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৩ শিশুর। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪৫ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৪ শিশু।
এ সময়ে নতুন করে ৯৪১ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১৫ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৮৪ শিশু। এ ছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৫ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৭৭৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ পর্যন্ত সারাদেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৮। আর নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ১০৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৭ হাজার ৮১৯ জন। তাদের মধ্যে ৯৪ হাজার ২৭৫ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৫২ শিশু। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৩ শিশুর। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪৫ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯৭ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৪ শিশু।
এ সময়ে নতুন করে ৯৪১ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১৫ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৮৪ শিশু। এ ছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৫ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৭৭৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ পর্যন্ত সারাদেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৮। আর নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ১০৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৭ হাজার ৮১৯ জন। তাদের মধ্যে ৯৪ হাজার ২৭৫ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে।