জাতীয় পর্যায়ের ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ ‘চর্চা’। সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ এবং এই স্টার্টআপকে এগিয়ে নিতে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ হাতে চর্চার প্রতিনিধিদের হাতে ১০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন।
চর্চার উদ্যোক্তা?
রুয়েটের শিক্ষার্থী রায়হান উল ইসলাম ও নাফিস রায়হান তাদের টিম মেম্বারদের নিয়ে ‘চর্চা’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় অনুশীলনের সীমাবদ্ধতা অনুভব থেকেই এই উদ্যোগের শুরু। বর্তমানে রাজশাহী থেকেই অর্ধশতাধিক কারিগরি টিম স্টার্টআপ প্ল্যাটফর্মটিকে এগিয়ে নিতে গবেষণা, উন্নয়ন ও পরিচালনায় কাজ করছেন।
‘চর্চা’ কী?
সহজ কথায় চর্চা হলো এক্সাম প্রিপারেশনের জন্য প্রাকটিস ও লার্নিং প্লাটফর্ম (App For Learning)। চর্চা AI শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই ও তথ্যভান্ডারের ভিত্তিতে তথ্যসূত্রসহ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা বিশ্লেষণ করে তার স্কিল ডেভেলপে প্রয়োজনীয় অনুশীলনের পরামর্শ প্রদান করছে। চর্চা বাংলাদেশের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বা AI ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম। যার মাধ্যমে এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। প্ল্যাটফর্মটিতে ৩০ লক্ষাধিক প্রশ্ন, সীমাহীন মডেল পরীক্ষা, সরাসরি অনুশীলনী পরীক্ষা, তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতা, ব্যক্তিগত অগ্রগতি বিশ্লেষণ, মেধাতালিকা, ধারাবাহিক অনুশীলন ব্যবস্থা সহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে শিক্ষাসহায়ক সুবিধা রয়েছে।
উদ্যোগ শুরুর পর থেকেই চর্চা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দারুণভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বর্তমানে অ্যাপটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি। যাদের মধ্যে মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ৫ লক্ষাধিক এবং প্রতি মাসে ২০ লক্ষাধিক মডেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সম্পন্ন হচ্ছে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এরই মধ্যে লাখো শিক্ষার্থীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ‘চর্চা’।
‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় চর্চার অবস্থান:
এ বছর ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে মাত্র ছয়টি স্টার্টআপ ১০ লাখ টাকার অনুদান লাভ করে। এছাড়া ১৫টি স্টার্টআপ তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শনের জন্য স্টল স্থাপনের সুযোগ পায় এবং মাত্র চারটি স্টার্টআপ জাতীয় মঞ্চে নিজেদের সফলতার গল্প তুলে ধরার সুযোগ লাভ করে। তাদের মধ্যে চর্চাই একমাত্র স্টার্টআপ; যা স্টল প্রদর্শন, অনুদান অর্জন এবং স্টার্টআপের সফলতার গল্প উপস্থাপন, এই তিনটি বিভাগেই নির্বাচিত হয়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে।
চর্চার উদ্যোক্তা?
রুয়েটের শিক্ষার্থী রায়হান উল ইসলাম ও নাফিস রায়হান তাদের টিম মেম্বারদের নিয়ে ‘চর্চা’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় অনুশীলনের সীমাবদ্ধতা অনুভব থেকেই এই উদ্যোগের শুরু। বর্তমানে রাজশাহী থেকেই অর্ধশতাধিক কারিগরি টিম স্টার্টআপ প্ল্যাটফর্মটিকে এগিয়ে নিতে গবেষণা, উন্নয়ন ও পরিচালনায় কাজ করছেন।
‘চর্চা’ কী?
সহজ কথায় চর্চা হলো এক্সাম প্রিপারেশনের জন্য প্রাকটিস ও লার্নিং প্লাটফর্ম (App For Learning)। চর্চা AI শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই ও তথ্যভান্ডারের ভিত্তিতে তথ্যসূত্রসহ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা বিশ্লেষণ করে তার স্কিল ডেভেলপে প্রয়োজনীয় অনুশীলনের পরামর্শ প্রদান করছে। চর্চা বাংলাদেশের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বা AI ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম। যার মাধ্যমে এসএসসি, এইচএসসি, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। প্ল্যাটফর্মটিতে ৩০ লক্ষাধিক প্রশ্ন, সীমাহীন মডেল পরীক্ষা, সরাসরি অনুশীলনী পরীক্ষা, তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতা, ব্যক্তিগত অগ্রগতি বিশ্লেষণ, মেধাতালিকা, ধারাবাহিক অনুশীলন ব্যবস্থা সহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে শিক্ষাসহায়ক সুবিধা রয়েছে।
উদ্যোগ শুরুর পর থেকেই চর্চা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দারুণভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বর্তমানে অ্যাপটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি। যাদের মধ্যে মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ৫ লক্ষাধিক এবং প্রতি মাসে ২০ লক্ষাধিক মডেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সম্পন্ন হচ্ছে। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পরীক্ষাভিত্তিক শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এরই মধ্যে লাখো শিক্ষার্থীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ‘চর্চা’।
‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় চর্চার অবস্থান:
এ বছর ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে মাত্র ছয়টি স্টার্টআপ ১০ লাখ টাকার অনুদান লাভ করে। এছাড়া ১৫টি স্টার্টআপ তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শনের জন্য স্টল স্থাপনের সুযোগ পায় এবং মাত্র চারটি স্টার্টআপ জাতীয় মঞ্চে নিজেদের সফলতার গল্প তুলে ধরার সুযোগ লাভ করে। তাদের মধ্যে চর্চাই একমাত্র স্টার্টআপ; যা স্টল প্রদর্শন, অনুদান অর্জন এবং স্টার্টআপের সফলতার গল্প উপস্থাপন, এই তিনটি বিভাগেই নির্বাচিত হয়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে।