পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাংসদ এ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুর্ণবাসন বিষয়ক সহসম্পাদক রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব সাংসদ এ্যাডঃ শফিকুল হক মিলন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচনী এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টির পাশাপাশি উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, গত সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কার্যক্রমে তাঁকে কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় রাজশাহীসহ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় দলমত নির্বিশেষে সকলের মাঝে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় অধিবাসী, দলীয় নেতাকর্মীসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রত্যাশা আগামিতে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ,সেচ সুবিধা,বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থাসহ মানুষের মৌলিক চাহিদা পুরুণ হবে।
নদীভাঙন প্রতিরোধ ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। রাজশাহী অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই পদ্মা নদীর ভাঙন, নদী খনন, পানি সংরক্ষণ এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এসব বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন এমপি মিলন।
নবনির্বাচিত সভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেন, "পানি সম্পদ দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করব। নদী রক্ষা, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব। রাজশাহীসহ দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য পানি-সংক্রান্ত চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সচেষ্ট থাকব। জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার মর্যাদা রক্ষাই হবে আমার দায়িত্ব পালনের মূল লক্ষ্য। তার এই অর্জন নির্বাচনী এলাকার দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে উৎসর্গ করে তিনি বলেন,তিনি সাধারণ মানুষের ভাগ্যর উন্নয়ন করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ায় জাতীয় পর্যায়ে রাজশাহীর প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদী সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর তদারকি ও নীতিগত ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
এছাড়াও শফিকুল হক মিলনের এই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তি রাজশাহী অঞ্চলের টেকসই নদী শাসনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
জানা গেছে, গত সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কার্যক্রমে তাঁকে কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব পাওয়ায় রাজশাহীসহ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় দলমত নির্বিশেষে সকলের মাঝে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় অধিবাসী, দলীয় নেতাকর্মীসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রত্যাশা আগামিতে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ,সেচ সুবিধা,বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থাসহ মানুষের মৌলিক চাহিদা পুরুণ হবে।
নদীভাঙন প্রতিরোধ ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। রাজশাহী অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই পদ্মা নদীর ভাঙন, নদী খনন, পানি সংরক্ষণ এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এসব বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন এমপি মিলন।
নবনির্বাচিত সভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেন, "পানি সম্পদ দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করব। নদী রক্ষা, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করব। রাজশাহীসহ দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য পানি-সংক্রান্ত চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সচেষ্ট থাকব। জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার মর্যাদা রক্ষাই হবে আমার দায়িত্ব পালনের মূল লক্ষ্য। তার এই অর্জন নির্বাচনী এলাকার দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে উৎসর্গ করে তিনি বলেন,তিনি সাধারণ মানুষের ভাগ্যর উন্নয়ন করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ায় জাতীয় পর্যায়ে রাজশাহীর প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদী সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর তদারকি ও নীতিগত ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
এছাড়াও শফিকুল হক মিলনের এই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তি রাজশাহী অঞ্চলের টেকসই নদী শাসনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।