লামিন ইয়ামালকে দেখে শুরুতে চমকে গিয়েছিলেন সকলে। এ কী রূপ তাঁর? গলায় সোনা ও হিরের হার। মাথার চুলের ছাঁটেও বদল। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নামার আগে অন্য রূপে সাংবাদিক বৈঠকে এলেন লামিন ইয়ামাল। তাঁর মুখে শোনা গেল সম্প্রীতির কথা।
গত সপ্তাহে স্পেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন কিলিয়ান এমবাপেরা। মারিয়ানো বলেছিলেন, “ফ্রান্স খুব ভাল খেলছে। কিন্তু ফ্রান্সের দলে কত জন ফরাসি ফুটবলার রয়েছে। ফুটবলারদের গায়ের রং দেখলেই তা বোঝা যায়।”
নিজের দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ধুয়ে দিয়েছেন ইয়ামাল। তিনি বলেন, “কাল একটা দারুণ ম্যাচ খেলতে নামব। এটাই তো ফুটবল। যা সকলকে এক জায়গায় নিয়ে আসে। সব সংস্কৃতিকে কাছে টেনে নেয়। সেখানে ধর্ম, বর্ণ, গায়ের রং কিছুই গুরুত্ব রাখে না। আসল হল ফুটবল।”
ইয়ামাল নিজেও স্পেনীয় নন। তাঁর বাবা মরক্কোর। মা গিনির। ফলে তিনি নিজেও বোঝেন, বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের খারাপ প্রভাব কী হতে পারে। ইয়ামাল বলেন, “ফ্রান্স ও স্পেন উদাহরণ, কী ভাবে ফুটবল সকলকে কাছে টানতে পারে। ফুটবলে একতাই আসল। তাই কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু যায়-আসে না। আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল। আর একটা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামব।”
ইয়ামাল কারও নাম না নিলেও তিনি যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জবাব দিয়েছেন তা পরিষ্কার। ইয়ামাল বোঝাতে চেয়েছেন, ফুটবলে বর্ণবিদ্বেষের জায়গা নেই। মাঠে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের বিরুদ্ধে খুব কড়া পদক্ষেপ করে ফিফা। সেই কথাই শোনা গেল ইয়ামালের গলায়।
জন্মদিনের পরের দিন বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামবেন ইয়ামাল। তাই তাঁর গলায় সোনা ও হিরের হার। কিন্তু কে তাঁকে এই উপহার দিল? ইয়ামালের জবাব, “কেউ দেয়নি। নিজেই কিনেছি। জন্মদিনে নিজেই নিজেকে উপহার দিয়েছি।”
গত সপ্তাহে স্পেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন কিলিয়ান এমবাপেরা। মারিয়ানো বলেছিলেন, “ফ্রান্স খুব ভাল খেলছে। কিন্তু ফ্রান্সের দলে কত জন ফরাসি ফুটবলার রয়েছে। ফুটবলারদের গায়ের রং দেখলেই তা বোঝা যায়।”
নিজের দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ধুয়ে দিয়েছেন ইয়ামাল। তিনি বলেন, “কাল একটা দারুণ ম্যাচ খেলতে নামব। এটাই তো ফুটবল। যা সকলকে এক জায়গায় নিয়ে আসে। সব সংস্কৃতিকে কাছে টেনে নেয়। সেখানে ধর্ম, বর্ণ, গায়ের রং কিছুই গুরুত্ব রাখে না। আসল হল ফুটবল।”
ইয়ামাল নিজেও স্পেনীয় নন। তাঁর বাবা মরক্কোর। মা গিনির। ফলে তিনি নিজেও বোঝেন, বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের খারাপ প্রভাব কী হতে পারে। ইয়ামাল বলেন, “ফ্রান্স ও স্পেন উদাহরণ, কী ভাবে ফুটবল সকলকে কাছে টানতে পারে। ফুটবলে একতাই আসল। তাই কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু যায়-আসে না। আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল। আর একটা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামব।”
ইয়ামাল কারও নাম না নিলেও তিনি যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জবাব দিয়েছেন তা পরিষ্কার। ইয়ামাল বোঝাতে চেয়েছেন, ফুটবলে বর্ণবিদ্বেষের জায়গা নেই। মাঠে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের বিরুদ্ধে খুব কড়া পদক্ষেপ করে ফিফা। সেই কথাই শোনা গেল ইয়ামালের গলায়।
জন্মদিনের পরের দিন বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামবেন ইয়ামাল। তাই তাঁর গলায় সোনা ও হিরের হার। কিন্তু কে তাঁকে এই উপহার দিল? ইয়ামালের জবাব, “কেউ দেয়নি। নিজেই কিনেছি। জন্মদিনে নিজেই নিজেকে উপহার দিয়েছি।”