এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপলোড সময় : ১৪-০৭-২০২৬ ০৬:২৬:০২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৪-০৭-২০২৬ ০৬:২৬:০২ অপরাহ্ন
সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। 

রায়ে প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

অন্যদিকে, পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় আইনুদ্দিন আইনুল, মিসবাউল ইসলাম রাজন, রবিউল এবং মাহফুজুর রহমানকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। 

রায় ঘোষণার সময় চার দণ্ডপ্রাপ্তসহ আট আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়কে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি আদালতে প্রবেশে তল্লাশি জোরদার করা হয়। 

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে শাহপরান মাজার থেকে ফেরার পথে এক দম্পতির প্রাইভেটকার এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে আটকে কয়েকজন যুবক তাদের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরে দম্পতিকে মারধর করে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাদের গাড়িও আটকে রাখা হয়। 

ঘটনার রাতেই ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। পরে তদন্তে আরও দুইজনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হলে মোট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। 

মামলার তদন্তে ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

গত বছর মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর নির্যাতিত তরুণী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও এমসি কলেজের এক অধ্যাপকসহ ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন। 

এই রায়ের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ বছর নয় মাস ধরে চলা দেশের অন্যতম আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো। 

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]