ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের শারীরিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, মোজতবা ‘৯০ শতাংশ শেষ’ হয়ে গিয়েছেন। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে আসীন হওয়ার পর থেকেই আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি মোজতবাকে। এমনকি প্রয়াত পিতা তথা ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যেও দেখা যায়নি তাঁকে। এই আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য মোজতবার শারীরিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ইরানকে তোপ দাগেন ট্রাম্প। দাবি করেন যে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ইরানের সেরা নেতারাও প্রায় প্রত্যেকে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “ওদের (ইরান) কোনও নৌবাহিনী নেই। বায়ুসেনাও নেই। সব শেষ হয়ে গিয়েছে। ওদের নেতারাও নিহত হয়েছেন। সবাই মারা গিয়েছেন। খোমেইনিও শেষ।” প্রসঙ্গত, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের পর সে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হয়েছিলেন রুহোল্লা খোমেইনি। ১৯৮৯ সালে তিনি মারা যান। তার পর খোমেইনির স্থলাভিষিক্ত হন খামেনেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। ট্রাম্পের মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে, তিনি খামেনেই এবং খোমেইনিকে গুলিয়ে ফেলেছেন।
আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় গুরুতর ভাবে জখম হয়েছিলেন খামেনেই-পুত্র মোজতবাও। তার পর থেকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে একাধিক বার তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করেছে তেহরান। এর আগে ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, জখম মোজতবা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। ট্রাম্পের দাবি মোজতবার সুস্থতা নিয়েই ফের প্রশ্ন তুলে দিল।
সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ইরানকে তোপ দাগেন ট্রাম্প। দাবি করেন যে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ইরানের সেরা নেতারাও প্রায় প্রত্যেকে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “ওদের (ইরান) কোনও নৌবাহিনী নেই। বায়ুসেনাও নেই। সব শেষ হয়ে গিয়েছে। ওদের নেতারাও নিহত হয়েছেন। সবাই মারা গিয়েছেন। খোমেইনিও শেষ।” প্রসঙ্গত, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের পর সে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হয়েছিলেন রুহোল্লা খোমেইনি। ১৯৮৯ সালে তিনি মারা যান। তার পর খোমেইনির স্থলাভিষিক্ত হন খামেনেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। ট্রাম্পের মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট যে, তিনি খামেনেই এবং খোমেইনিকে গুলিয়ে ফেলেছেন।
আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় গুরুতর ভাবে জখম হয়েছিলেন খামেনেই-পুত্র মোজতবাও। তার পর থেকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে একাধিক বার তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করেছে তেহরান। এর আগে ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয়েছিল যে, জখম মোজতবা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। ট্রাম্পের দাবি মোজতবার সুস্থতা নিয়েই ফের প্রশ্ন তুলে দিল।