নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম আয়েশ। শহরের সব রকম সুযোগ-সুবিধা থেকে দূরে থাকা এই গ্রামের ‘আয়েশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অনন্য এক সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিদ্যালয়টির ২ জন শিক্ষার্থী কৃতিত্বের সাথে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেছে। অজপাড়াগাঁয়ের একটি বিদ্যালয় থেকে এমন সাফল্যে এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে।
বিদ্যালয়টি থেকে এবার মেধা তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে আহসান আলী। সে আয়েশ পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা ও উপজেলার বামিহাল রহমত ইকবাল অনার্স কলেজের রসায়ন বিদ্যার প্রভাষক মো: হানিফুর রহমানের ছেলে। অন্যদিকে, কঠোর পরিশ্রম ও মেধার স্বাক্ষর রেখে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে মোছা: জান্নাতুল।
সে আয়েশ মাঠ পাড়ার বাসিন্দা ও স্থানীয় ওয়ার্কসপ ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
সীমিত সম্পদের মধ্যেও শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঠিক নির্দেশনায় গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা যে শহরের সমকক্ষ ফলাফল করতে পারে, আহসান ও জান্নাতুল তা প্রমাণ করে দেখিয়েছে।
বিদ্যালয়ের এই গৌরবময় অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন আয়েশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিপালী খাতুন। তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন: "আমাদের বিদ্যালয়টি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে শহরের মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা হয়তো নেই। কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা ও শিক্ষকদের আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না। আজকের এই অর্জন মূলত নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সচেতনতার এক সম্মিলিত ফসল।
আমরা বিশ্বাস করি, এই সাফল্য আয়েশ গ্রামের অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করবে। আগামী দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের এই সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে এবং আরও ভালো ফলাফল উপহার দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
বিদ্যালয়টি থেকে এবার মেধা তালিকায় শীর্ষস্থান অধিকার করে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে আহসান আলী। সে আয়েশ পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা ও উপজেলার বামিহাল রহমত ইকবাল অনার্স কলেজের রসায়ন বিদ্যার প্রভাষক মো: হানিফুর রহমানের ছেলে। অন্যদিকে, কঠোর পরিশ্রম ও মেধার স্বাক্ষর রেখে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে মোছা: জান্নাতুল।
সে আয়েশ মাঠ পাড়ার বাসিন্দা ও স্থানীয় ওয়ার্কসপ ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার হোসেনের মেয়ে।
সীমিত সম্পদের মধ্যেও শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঠিক নির্দেশনায় গ্রামীণ শিক্ষার্থীরা যে শহরের সমকক্ষ ফলাফল করতে পারে, আহসান ও জান্নাতুল তা প্রমাণ করে দেখিয়েছে।
বিদ্যালয়ের এই গৌরবময় অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন আয়েশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিপালী খাতুন। তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন: "আমাদের বিদ্যালয়টি একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে শহরের মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা হয়তো নেই। কিন্তু আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা ও শিক্ষকদের আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না। আজকের এই অর্জন মূলত নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সচেতনতার এক সম্মিলিত ফসল।
আমরা বিশ্বাস করি, এই সাফল্য আয়েশ গ্রামের অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করবে। আগামী দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের এই সাফল্যের ধারা বজায় রাখতে এবং আরও ভালো ফলাফল উপহার দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।