ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সর্ববৃহৎ ও ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ্র নেকমরদ বাজার।
এই বাজারের চৌরাস্তা থেকে নেকমরদ মাজার মসজিদ পর্যন্ত মাত্র ৩০০ মিটার সড়ক এখন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক বা ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় ও গভীর গর্তের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তেমনি প্রতিনিয়ত বাড়ছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির অবস্থা এতটাই বেহাল যে, কোথাও কোথাও গর্তের গভীরতা বোঝার কোনো উপায় নেই। বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা কাদা ও নোংরা পানির স্তূপে পরিণত হয়। সড়কটির সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে বিভিন্ন দোকানপাট, নেকমরদ বড় মসজিদ, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
এ ছাড়া বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, সরকারি অফিসের সেবাগ্রহীতা এবং বাচোর ও রাতোর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার পথচারীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম সতর্কতার সাথে এই পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে পথচারী ও চালকদের। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ভ্যানচালকেরা।
অন্যদিকে, সাধারণ মানুষকে কাদা ও নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে, যা চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করেছে। প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকায় থমকে যাচ্ছে নেকমরদ বাজারের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমও। বাজারের ব্যবসায়ী রেজাউল করিম ও আইনুল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন করুণ দশা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্ষা এলে আমাদের দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।"
যোগাযোগ করা হলে রাণীশংকৈল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সড়কটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। এটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশা করছি, চলতি বছরের মধ্যেই সড়কটির উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।"
তবে শুধু দাপ্তরিক আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে, জনস্বার্থে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা।
এই বাজারের চৌরাস্তা থেকে নেকমরদ মাজার মসজিদ পর্যন্ত মাত্র ৩০০ মিটার সড়ক এখন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক বা ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় ও গভীর গর্তের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তেমনি প্রতিনিয়ত বাড়ছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির অবস্থা এতটাই বেহাল যে, কোথাও কোথাও গর্তের গভীরতা বোঝার কোনো উপায় নেই। বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা কাদা ও নোংরা পানির স্তূপে পরিণত হয়। সড়কটির সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে বিভিন্ন দোকানপাট, নেকমরদ বড় মসজিদ, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
এ ছাড়া বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, সরকারি অফিসের সেবাগ্রহীতা এবং বাচোর ও রাতোর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার পথচারীর যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা এটি। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চরম সতর্কতার সাথে এই পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে পথচারী ও চালকদের। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ভ্যানচালকেরা।
অন্যদিকে, সাধারণ মানুষকে কাদা ও নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে, যা চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করেছে। প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকায় থমকে যাচ্ছে নেকমরদ বাজারের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রমও। বাজারের ব্যবসায়ী রেজাউল করিম ও আইনুল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন করুণ দশা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্ষা এলে আমাদের দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।"
যোগাযোগ করা হলে রাণীশংকৈল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সড়কটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। এটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশা করছি, চলতি বছরের মধ্যেই সড়কটির উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।"
তবে শুধু দাপ্তরিক আশ্বাসে সীমাবদ্ধ না থেকে, জনস্বার্থে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা।