ভারতে মানসিক ভারসাম্যহীন মায়ের দুই মেয়েকে দিনের পর দিন ধর্ষণের দায়ে তাদের বাবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন তমলুক পকসো আদালত।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ওই ব্যক্তিকে আদালত সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন। সরকারকে নির্যাতিতার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
জানা গেছে, নির্যাতিতার মা মানসিক ভারসাম্যহীন। তারা দুই বোন। বাবা দিনের পর দিন নাবালিকাদের ধর্ষণ করতেন। ভয়ে মেয়েরা কাউকে কিছু জানাতে পারেনি। শেষে একদিন প্রতিবেশী এক মামাকে ছোট বোন বিষয়টি জানায়। ২০২২–এর মে মাসে ওই মামা নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে কোলাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
নাবালিকা জানায়, তাদের দুই বোনের উপরেই বাবা অত্যাচার চালাতেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ২০২২ সালের ঘটনার অনেক আগেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সেই সময়ে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে প্রতিবেশীরা প্রতিবাদে সরব হন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অভিযুক্ত ভিন রাজ্যে পালিয়ে যান। প্রায় দুবছর পরে সে ফের বাড়ি ফিরে আসেন।
বাড়ি ফিরেই ফের সে তার ছোট মেয়েকে ধর্ষণ করে। এরপরই ঘটনাটি এক প্রতিবেশীকে জানায় ওই নাবালিকা। তার সাহায্যে কোলাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পরে আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে। গত প্রায় চার বছর ধরে মামলার শুনানি চলে। বিচার চলাকালীন ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। তথ্য প্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়।
শুক্রবার তমলুকের পকসো আদালতের বিচারক সুস্মিতা মুখোপাধ্যায় রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সরকারি আইনজীবী অস্মিতা দাস খাঁড়া জানান, এই ধরনের ঘটনা নিন্দনীয়। অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ এবং সরকারকে নির্যাতিতাদের পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তদন্ত করেছেন। প্রমাণ সংগ্রহ থেকে শুরু করে সাক্ষীদের আদালতে হাজির করা— প্রতিটি ক্ষেত্রে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই কারণেই মামলাটি দ্রুত বিচার পেয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ওই ব্যক্তিকে আদালত সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন। সরকারকে নির্যাতিতার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
জানা গেছে, নির্যাতিতার মা মানসিক ভারসাম্যহীন। তারা দুই বোন। বাবা দিনের পর দিন নাবালিকাদের ধর্ষণ করতেন। ভয়ে মেয়েরা কাউকে কিছু জানাতে পারেনি। শেষে একদিন প্রতিবেশী এক মামাকে ছোট বোন বিষয়টি জানায়। ২০২২–এর মে মাসে ওই মামা নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে কোলাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
নাবালিকা জানায়, তাদের দুই বোনের উপরেই বাবা অত্যাচার চালাতেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ২০২২ সালের ঘটনার অনেক আগেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সেই সময়ে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে প্রতিবেশীরা প্রতিবাদে সরব হন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অভিযুক্ত ভিন রাজ্যে পালিয়ে যান। প্রায় দুবছর পরে সে ফের বাড়ি ফিরে আসেন।
বাড়ি ফিরেই ফের সে তার ছোট মেয়েকে ধর্ষণ করে। এরপরই ঘটনাটি এক প্রতিবেশীকে জানায় ওই নাবালিকা। তার সাহায্যে কোলাঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পরে আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে। গত প্রায় চার বছর ধরে মামলার শুনানি চলে। বিচার চলাকালীন ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। তথ্য প্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়।
শুক্রবার তমলুকের পকসো আদালতের বিচারক সুস্মিতা মুখোপাধ্যায় রায় ঘোষণা করেন।
মামলার সরকারি আইনজীবী অস্মিতা দাস খাঁড়া জানান, এই ধরনের ঘটনা নিন্দনীয়। অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ এবং সরকারকে নির্যাতিতাদের পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিক অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তদন্ত করেছেন। প্রমাণ সংগ্রহ থেকে শুরু করে সাক্ষীদের আদালতে হাজির করা— প্রতিটি ক্ষেত্রে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই কারণেই মামলাটি দ্রুত বিচার পেয়েছে।