নাটোরের লালপুরে বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডে নাটোর ১, (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুলের বিশেষ বরাদ্দে চারটি গ্রামীণ সড়ক এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) করণের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার আলো দেখা দিয়েছে । দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ কাটিয়ে স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর মাঝে।
উন্নয়নের ছোঁয়া যেন মানুষের হৃদয়ে লেগেছে। এইচবিবি করণ সম্পন্ন হওয়া সড়কগুলো হলো ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেপুর গ্রামে আবু তালেবের বাড়ি থেকে শামসুল শা এর বাড়ি পর্যন্ত, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নাগশোষা গ্রামে রফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে আজিরুলের বাড়ি পর্যন্ত, ৯ নম্বর ওয়ার্ড মোহরকয়া গ্রামের জাফরের বাড়ি থেকে সলেমানের জমি পর্যন্ত এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রহিমপুর গ্রামে লিটনের বাড়ি থেকে জিয়ার বাড়ি পর্যন্ত।
নাগশোষা গ্রামের বাবর আলী জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে এসব সড়কে চলাচল অত্যন্ত দুরূহ ছিল। কাঁচা রাস্তার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হতো। সড়কগুলো এইচবিবি করণ শুরু হওয়ায় আশার আলো দেখা দিয়েছে।
ফতেপুর গ্রামের নাসির উদ্দিন এবং শাজাহান আলী বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের এ গ্রামটি অবহেলায় ছিল, এখানে বিএনপির ভোটার সংখ্যা বেশি থাকায় উন্নয়ন ছোঁয়া পাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।
মোহরকয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, রাস্তা এইচবিবি করণে সহজে যাতায়াতের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনও অনেক সহজ হবে।
এলাকাবাসী বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখায় ৫ নং বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও লালপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টুর সহ বিএনপির নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন তারা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের অবশিষ্ট কাঁচা সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় এনে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও টেকসই করা হবে।
উন্নয়নের ছোঁয়া যেন মানুষের হৃদয়ে লেগেছে। এইচবিবি করণ সম্পন্ন হওয়া সড়কগুলো হলো ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেপুর গ্রামে আবু তালেবের বাড়ি থেকে শামসুল শা এর বাড়ি পর্যন্ত, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নাগশোষা গ্রামে রফিকুল ইসলামের বাড়ি থেকে আজিরুলের বাড়ি পর্যন্ত, ৯ নম্বর ওয়ার্ড মোহরকয়া গ্রামের জাফরের বাড়ি থেকে সলেমানের জমি পর্যন্ত এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রহিমপুর গ্রামে লিটনের বাড়ি থেকে জিয়ার বাড়ি পর্যন্ত।
নাগশোষা গ্রামের বাবর আলী জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে এসব সড়কে চলাচল অত্যন্ত দুরূহ ছিল। কাঁচা রাস্তার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হতো। সড়কগুলো এইচবিবি করণ শুরু হওয়ায় আশার আলো দেখা দিয়েছে।
ফতেপুর গ্রামের নাসির উদ্দিন এবং শাজাহান আলী বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের এ গ্রামটি অবহেলায় ছিল, এখানে বিএনপির ভোটার সংখ্যা বেশি থাকায় উন্নয়ন ছোঁয়া পাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।
মোহরকয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, রাস্তা এইচবিবি করণে সহজে যাতায়াতের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনও অনেক সহজ হবে।
এলাকাবাসী বলেন, জনদুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখায় ৫ নং বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও লালপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টুর সহ বিএনপির নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন তারা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের অবশিষ্ট কাঁচা সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় এনে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও টেকসই করা হবে।