আবার ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালাল আমেরিকা। ব্যবধান এক বছরের। বৃহস্পতিবার তেহরান অভিযোগ করেছে, তাদের বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র মার্কিন যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে। পাল্টা পশ্চিম এশিয়ার চারটি দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে বৃহস্পতিবার হামলা চালিয়েছে ইরান।
হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যেই নিজের জন্মস্থান মাশহাদ শহরে লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে (ভারতীয় সময়) সমাহিত করা হয়েছে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে তাঁর শেষকৃত্য হয়। তবে নিরাপত্তার কারণে সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন না আয়াতোল্লা-পুত্র তথা বর্তমান সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা মোজ়তবা খামেনেই! প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। সে দিনই নিহত হয়েছিলেন আয়াতোল্লা।
২০২৫ সালের ২২ মে ইরানের ফোরডো, ইসফাহান এবং নাতান্জ় পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বি-২ স্পিরিট স্টেলথ্ বোমারু বিমান। সেই অভিযানের নাম ছিল, ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’। কিন্তু বাঙ্কার ব্লাস্টার সিরিজ়ের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা জিবিইউ-৫৭ আঘাত সত্ত্বেও সে সময় ওই ভূগর্ভস্থ পরমাণুকেন্দ্র ও গবেষণাগারগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করেছিল তেহরান। কিন্তু এ বার হামলা হয়েছে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র লাগোয়া এলাকায়। সেখানকার পরমাণু চুল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি করেছিল ইরান। সেখানে রুশ প্রযুক্তিবিদ ও কর্মীরাও কাজ করতেন। কিন্তু গত বছর যুদ্ধ শুরুর পরে তাঁরা ওই এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তেহরান শুক্রবার জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে আশপাশের এলাকা এবং অদূরের চোগাদক সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত এসেছে। সংঘাতের এই আবহে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান বৃহস্পতিবার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি।
হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যেই নিজের জন্মস্থান মাশহাদ শহরে লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে (ভারতীয় সময়) সমাহিত করা হয়েছে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। অষ্টম শিয়া ইমাম ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে তাঁর শেষকৃত্য হয়। তবে নিরাপত্তার কারণে সেখানে অনুপস্থিত ছিলেন না আয়াতোল্লা-পুত্র তথা বর্তমান সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা মোজ়তবা খামেনেই! প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। সে দিনই নিহত হয়েছিলেন আয়াতোল্লা।
২০২৫ সালের ২২ মে ইরানের ফোরডো, ইসফাহান এবং নাতান্জ় পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বি-২ স্পিরিট স্টেলথ্ বোমারু বিমান। সেই অভিযানের নাম ছিল, ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’। কিন্তু বাঙ্কার ব্লাস্টার সিরিজ়ের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা জিবিইউ-৫৭ আঘাত সত্ত্বেও সে সময় ওই ভূগর্ভস্থ পরমাণুকেন্দ্র ও গবেষণাগারগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করেছিল তেহরান। কিন্তু এ বার হামলা হয়েছে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র লাগোয়া এলাকায়। সেখানকার পরমাণু চুল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি করেছিল ইরান। সেখানে রুশ প্রযুক্তিবিদ ও কর্মীরাও কাজ করতেন। কিন্তু গত বছর যুদ্ধ শুরুর পরে তাঁরা ওই এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তেহরান শুক্রবার জানিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে আশপাশের এলাকা এবং অদূরের চোগাদক সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত এসেছে। সংঘাতের এই আবহে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান বৃহস্পতিবার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছে বলে সে দেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি।