শরীরের ঊর্ধাঙ্গে অতিরিক্ত মেদ নেই, অথচ ঊরু, নিতম্ব এবং পায়ে জমে রয়েছে জেদি মেদ। যথাসম্ভব কসরত করেও কোনও ভাবেই নিম্নাঙ্গের মেদ ঝরাতে পারা যাচ্ছে না। এমন অভিজ্ঞতার শিকার মুম্বইয়ের বাঙালি অভিনেত্রী দেবিনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তা নিয়ে কথা বলেন গুরমিত চৌধরীর স্ত্রী।
নানা রকমের শারীরচর্চা, ডায়েট করেও বিশেষ সুবিধা হয়নি দেবিনার। এক সময়ে তাঁর মনে হত, হয়তো ছোট প্যান্ট বা ড্রেস তাঁর জন্য বানানোই হয়নি। কেন এমন দেহাকৃতি তাঁর, সারা ক্ষণ নিজেকে এই প্রশ্ন করে যেতেন দেবিনা। কিন্তু সদ্যই তিনি জানতে পেরেছেন, দেহাকৃতির দোষ নয়, তিনি আদপে লিপিডিমায় আক্রান্ত।
কী এই রোগ?
লিপিডিমা এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেখানে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে, বিশেষ করে নিতম্ব, ঊরু, পায়ের পাতা পর্যন্ত বা কখনও কখনও হাতেও অস্বাভাবিক ভাবে চর্বি জমতে থাকে। এটি সাধারণ স্থূলত্ব বা ওজন বৃদ্ধির মতো নয়। অনেক সময়ে শরীরের উপরের অংশ তুলনামূলক ভাবে মেদহীন হলেও নীচের অংশের আকার অনেকটাই বড় থেকে যায়।
অনেকেই লিপিডিমাকে সেলুলাইট বলে ভুল করেন। কিন্তু দু’টি এক জিনিস নয়। সেলুলাইটে ত্বকে ছোট ছোট খাঁজ বা ঢেউয়ের মতো চেহারা দেখা যায়, যা সাধারণত ক্ষতিকর নয়। অন্য দিকে, লিপিডিমায় চর্বি অস্বাভাবিক ভাবে জমতে থাকে। আক্রান্ত অংশ ভারী লাগে, ব্যথা হতে পারে এবং সামান্য ধাক্কাতেও কালশিটে পড়ে যেতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রেই এই রোগ বেশি চোখে পড়ে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শারীরচর্চা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু লিপিডিমার কারণে জমে থাকা চর্বি সাধারণ মেদের মতো সহজে কমে না। তাই শুধু ডায়েট করে কাঙ্ক্ষিত ফল না মিললেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আরও নানা রকমের চিকিৎসা হয়। এখনও পর্যন্ত লিপিডিমা পুরোপুরি সারিয়ে তোলার কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণ, বিশেষ ধরনের ব্যায়াম, ভারি মোজা বা পোশাক ব্যবহার, বিশেষ ধরনের মালিশ এবং কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারেরও প্রয়োজন হতে পারে। তবে আগেভাগে শনাক্ত হলে যাপনে কিছু পরিবর্তন এনে এই সমস্যা আরও ভাল ভাবে কমানো যেতে পারে।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে অনেকেই নিজেকে দোষ দিতে শুরু করেন, কেউ কেউ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু এটি আদপে বিশেষ একটি রোগের কারণে হয়। তাই উপসর্গ বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলেই সমস্যা অনেকটা কমে যেতে পারে।
নানা রকমের শারীরচর্চা, ডায়েট করেও বিশেষ সুবিধা হয়নি দেবিনার। এক সময়ে তাঁর মনে হত, হয়তো ছোট প্যান্ট বা ড্রেস তাঁর জন্য বানানোই হয়নি। কেন এমন দেহাকৃতি তাঁর, সারা ক্ষণ নিজেকে এই প্রশ্ন করে যেতেন দেবিনা। কিন্তু সদ্যই তিনি জানতে পেরেছেন, দেহাকৃতির দোষ নয়, তিনি আদপে লিপিডিমায় আক্রান্ত।
কী এই রোগ?
লিপিডিমা এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেখানে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে, বিশেষ করে নিতম্ব, ঊরু, পায়ের পাতা পর্যন্ত বা কখনও কখনও হাতেও অস্বাভাবিক ভাবে চর্বি জমতে থাকে। এটি সাধারণ স্থূলত্ব বা ওজন বৃদ্ধির মতো নয়। অনেক সময়ে শরীরের উপরের অংশ তুলনামূলক ভাবে মেদহীন হলেও নীচের অংশের আকার অনেকটাই বড় থেকে যায়।
অনেকেই লিপিডিমাকে সেলুলাইট বলে ভুল করেন। কিন্তু দু’টি এক জিনিস নয়। সেলুলাইটে ত্বকে ছোট ছোট খাঁজ বা ঢেউয়ের মতো চেহারা দেখা যায়, যা সাধারণত ক্ষতিকর নয়। অন্য দিকে, লিপিডিমায় চর্বি অস্বাভাবিক ভাবে জমতে থাকে। আক্রান্ত অংশ ভারী লাগে, ব্যথা হতে পারে এবং সামান্য ধাক্কাতেও কালশিটে পড়ে যেতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রেই এই রোগ বেশি চোখে পড়ে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত শারীরচর্চা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু লিপিডিমার কারণে জমে থাকা চর্বি সাধারণ মেদের মতো সহজে কমে না। তাই শুধু ডায়েট করে কাঙ্ক্ষিত ফল না মিললেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আরও নানা রকমের চিকিৎসা হয়। এখনও পর্যন্ত লিপিডিমা পুরোপুরি সারিয়ে তোলার কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওজন নিয়ন্ত্রণ, বিশেষ ধরনের ব্যায়াম, ভারি মোজা বা পোশাক ব্যবহার, বিশেষ ধরনের মালিশ এবং কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারেরও প্রয়োজন হতে পারে। তবে আগেভাগে শনাক্ত হলে যাপনে কিছু পরিবর্তন এনে এই সমস্যা আরও ভাল ভাবে কমানো যেতে পারে।
এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে অনেকেই নিজেকে দোষ দিতে শুরু করেন, কেউ কেউ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু এটি আদপে বিশেষ একটি রোগের কারণে হয়। তাই উপসর্গ বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলেই সমস্যা অনেকটা কমে যেতে পারে।