‘লক আপ সিজ়ন ২’-এ এসেই অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা চমোলা জানিয়েছেন, গৌরব খন্নার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে তাঁর। যদিও বাইরে সে সব বোঝার উপায় ছিল না। গৌরব বরাবরই তাঁর স্ত্রীর হাসি থেকে সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন।
অথচ, প্রায় দশ বছরের দাম্পত্যজীবনে ইতি টানতে চলেছেন তাঁরা। বিবাহবিচ্ছেদের আগে আলাদা থাকছেন। সেই সময় রিয়্যালিটি অনুষ্ঠানে যান তিনি। এরই মধ্যে আকাঙ্ক্ষা জানান, বিয়ের আগে মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। তিনি আসলে উভকামী। গৌরবের সঙ্গে পাকাপাকি বিচ্ছেদের পর কী করবেন? নিজের পরিকল্পনা জানালেন অভিনেত্রী।
আকাঙ্ক্ষা সম্প্রতি ‘লক আপ’ নামের এক রিয়্যালিটি অনুষ্ঠানে জানান, গৌরবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আর কোনও সম্পর্কে জড়াবেন না। বরং বাকি জীবনটা একাই কাটিয়ে দেবেন। এক প্রতিযোগীকেই নিজের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে আকাঙ্ক্ষা বলেন, ‘‘আমি খুব অল্প বয়সে বিয়ে করি। তখন আমার ২৪ বছর বয়স। তাই আমি আর বিয়ে করতে চাই না। আমি আর কারও অধীনে থাকতে চাই না।” আকাঙ্ক্ষা সাফ জানিয়েছেন, তিনি নিজের মা-বাবার সঙ্গেও থাকবেন না। বাকি জীবনটা একাই কাটাবেন। যদিও দিনকয়েক আগেই আকাঙ্ক্ষা জানান, তিনি নারীদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি নিরাপদবোধ করেন।
এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে আকাঙ্ক্ষা বলেন, “বিয়ের আগে আমি উভকামী ছিলাম। কয়েক জন মেয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। খুব গভীর বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নয়, তবে কয়েক জনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম। আমার মেয়েদের ভাল লাগে।”
মহিলাদের প্রতি আকর্ষণের কথাও অকপটে স্বীকার করেন আকাঙ্ক্ষা। তিনি বলেন, “আমি মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করি। আমার মনে হয়, ওরাই আমার নিরাপদ আশ্রয়। ছোটবেলা থেকেই আমার মনে হত, এই পৃথিবীটা পুরুষদেরই বেশি দখলে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ মায়ের কাছে যায়, বোনের কাছে যায়। তাঁদের কাছ থেকে যে স্বস্তি আর ভালবাসা পাওয়া যায়, সেটা আমার খুব প্রিয়।”
যদিও গৌরব জানান, আকাঙ্ক্ষার প্রতি তাঁর ভালবাসা কমবে না। তিনি স্ত্রীর পাশে থাকবেন সবসময়।
অথচ, প্রায় দশ বছরের দাম্পত্যজীবনে ইতি টানতে চলেছেন তাঁরা। বিবাহবিচ্ছেদের আগে আলাদা থাকছেন। সেই সময় রিয়্যালিটি অনুষ্ঠানে যান তিনি। এরই মধ্যে আকাঙ্ক্ষা জানান, বিয়ের আগে মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। তিনি আসলে উভকামী। গৌরবের সঙ্গে পাকাপাকি বিচ্ছেদের পর কী করবেন? নিজের পরিকল্পনা জানালেন অভিনেত্রী।
আকাঙ্ক্ষা সম্প্রতি ‘লক আপ’ নামের এক রিয়্যালিটি অনুষ্ঠানে জানান, গৌরবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আর কোনও সম্পর্কে জড়াবেন না। বরং বাকি জীবনটা একাই কাটিয়ে দেবেন। এক প্রতিযোগীকেই নিজের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে আকাঙ্ক্ষা বলেন, ‘‘আমি খুব অল্প বয়সে বিয়ে করি। তখন আমার ২৪ বছর বয়স। তাই আমি আর বিয়ে করতে চাই না। আমি আর কারও অধীনে থাকতে চাই না।” আকাঙ্ক্ষা সাফ জানিয়েছেন, তিনি নিজের মা-বাবার সঙ্গেও থাকবেন না। বাকি জীবনটা একাই কাটাবেন। যদিও দিনকয়েক আগেই আকাঙ্ক্ষা জানান, তিনি নারীদের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি নিরাপদবোধ করেন।
এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে আকাঙ্ক্ষা বলেন, “বিয়ের আগে আমি উভকামী ছিলাম। কয়েক জন মেয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। খুব গভীর বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নয়, তবে কয়েক জনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম। আমার মেয়েদের ভাল লাগে।”
মহিলাদের প্রতি আকর্ষণের কথাও অকপটে স্বীকার করেন আকাঙ্ক্ষা। তিনি বলেন, “আমি মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করি। আমার মনে হয়, ওরাই আমার নিরাপদ আশ্রয়। ছোটবেলা থেকেই আমার মনে হত, এই পৃথিবীটা পুরুষদেরই বেশি দখলে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ মায়ের কাছে যায়, বোনের কাছে যায়। তাঁদের কাছ থেকে যে স্বস্তি আর ভালবাসা পাওয়া যায়, সেটা আমার খুব প্রিয়।”
যদিও গৌরব জানান, আকাঙ্ক্ষার প্রতি তাঁর ভালবাসা কমবে না। তিনি স্ত্রীর পাশে থাকবেন সবসময়।