রাজশাহীর তানোর ও মোহনপুর উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন ডুবির বিলে কীটনাশক ব্যবসায়ীর পরামর্শে ভুল ওষুধ প্রয়োগ করায় মাছের মড়ক ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। মাছ চাষিরা বলেন, মোহনপুর উপজেলার শ্যামপুর হাটের মেসার্স মহসিন কৃষি ঘরের (কীটনাশক ব্যবসায়ী) স্বত্বাধিকারী মহসিন আলীর পরামর্শে পেসকিল (১০ইসি) ওষুধ প্রয়োগ করেন। এর পর থেকেই মাছের মড়ক দেখা দিয়েছে।এই কীটনাশক সাধারণত ফসলের পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করা হয়।
এঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা কীটনাশক ব্যবসায়ীর দোকান বন্ধসহ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,তানোর ও মোহনপুরের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১৩০ বিঘা আয়তনের ডুবির বিল ইজারা মাছ চাষ করছেন কয়েকজন মাছ চাষি।ইতিমধ্যে বিলে রুই, কাতল, সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০০ মণ মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে।
মাছ চাষি রুপ কুমার বলেন, গত সোমবার বিকেলে মহসিন আলীর পরামর্শে তার কীটনাশক দোকান থেকে পেসকিল (১০ইসি) ওষুধ মাছের রোগবালাই প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োগ করেন। এরপর থেকেই বিলে মাছের ভয়াবহ মড়ক দেখা দিয়েছে।এতে তাদের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।পরে কোম্পানির লোকের কাছে খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারেন এগুলো ফসলের পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করা হয়। তিনি বলেন,এর আগেও মহসিন কৃষি ঘর থেকে ওষুধ কিনে পুকুরে প্রয়োগ করে বাবলুর পুকুরের মাছ মরে যায়।এ ঘটনায় মহসিন এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান,মহসিন কৃষি ঘরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত ভেজাল কীটনাশক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।তাদের গুদাম ও বাড়িতে অভিযান দিয়ে কীটনাশক উদ্ধার ও পরীক্ষাগারে পঠিয়ে পরীক্ষা করানো হলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে।তারা মহসিন কৃষি ঘরের গুদাম ও বাড়িতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স মহসিন কৃষি ঘরের স্বত্বাধিকারী মহসিন আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,পেসকিল (১০ইসি) ফসলের পোকামাকড় দমনের পাশাপাশি মাছের রোগবালাই দমনেও ব্যবহার করা হয়।
তিনি বলেন, অনেকেই এই ওষুধ পুকুরে প্রয়োগ করেছেন কারো কোনো সমস্যা হয়নি।তিনি বলেন, নানা কারনে মাছের মড়ক হতে পারে এটা তদন্ত না করে কিছু বলা সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন,মাছ চাষিদের ডাকা হয়েছে বসে সমস্যার সমাধান করা হবে।
এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম বলেন, তারা কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা কীটনাশক ব্যবসায়ীর দোকান বন্ধসহ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,তানোর ও মোহনপুরের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১৩০ বিঘা আয়তনের ডুবির বিল ইজারা মাছ চাষ করছেন কয়েকজন মাছ চাষি।ইতিমধ্যে বিলে রুই, কাতল, সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০০ মণ মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে।
মাছ চাষি রুপ কুমার বলেন, গত সোমবার বিকেলে মহসিন আলীর পরামর্শে তার কীটনাশক দোকান থেকে পেসকিল (১০ইসি) ওষুধ মাছের রোগবালাই প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োগ করেন। এরপর থেকেই বিলে মাছের ভয়াবহ মড়ক দেখা দিয়েছে।এতে তাদের প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।পরে কোম্পানির লোকের কাছে খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারেন এগুলো ফসলের পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করা হয়। তিনি বলেন,এর আগেও মহসিন কৃষি ঘর থেকে ওষুধ কিনে পুকুরে প্রয়োগ করে বাবলুর পুকুরের মাছ মরে যায়।এ ঘটনায় মহসিন এক লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান,মহসিন কৃষি ঘরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত ভেজাল কীটনাশক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।তাদের গুদাম ও বাড়িতে অভিযান দিয়ে কীটনাশক উদ্ধার ও পরীক্ষাগারে পঠিয়ে পরীক্ষা করানো হলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে।তারা মহসিন কৃষি ঘরের গুদাম ও বাড়িতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স মহসিন কৃষি ঘরের স্বত্বাধিকারী মহসিন আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,পেসকিল (১০ইসি) ফসলের পোকামাকড় দমনের পাশাপাশি মাছের রোগবালাই দমনেও ব্যবহার করা হয়।
তিনি বলেন, অনেকেই এই ওষুধ পুকুরে প্রয়োগ করেছেন কারো কোনো সমস্যা হয়নি।তিনি বলেন, নানা কারনে মাছের মড়ক হতে পারে এটা তদন্ত না করে কিছু বলা সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন,মাছ চাষিদের ডাকা হয়েছে বসে সমস্যার সমাধান করা হবে।
এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম বলেন, তারা কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।